ভগবদ্গীতা ১৩.১৮ — পরম জ্যোতি, জ্ঞান ও জ্ঞেয় তত্ত্বরূপে হৃদয়স্থিত পরমসত্তা
জ্যোতিষামপি তজ্জ্যোতিস্তমসঃ পরমুচ্যতে।
জ্ঞানং জ্ঞেয়ং জ্ঞানগম্যং হৃদি সর্বস্য বিষ্ঠিতম্।।১৮।।
অনুবাদঃ তিনি সমস্ত জ্যোতিষ্কের পরম জ্যোতি। তাঁকে সমস্ত অন্ধকারের অতীত অব্যক্ত স্বরূপ বলা হয়। তিনিই জ্ঞান, তিনিই জ্ঞেয় এবং তিনিই জ্ঞানগম্য। তিনি সকলের হৃদয়ে অবস্থিত।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার ত্রয়োদশ অধ্যায়ের অষ্টাদশ শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম সত্যের এক গভীর ও অপূর্ব পরিচয় দিয়েছেন। শ্লোকটি হলো “জ্যোতিষামপি তজ্জ্যোতিস্তমসঃ পরমুচ্যতে জ্ঞানং জ্ঞেয়ং জ্ঞানগম্যং হৃদি সর্বস্য বিষ্ঠিতম্।” এর সরল অর্থ হলো, সমস্ত জ্যোতিরও সেই পরম জ্যোতি তিনি এবং তাঁকে অন্ধকারের অতীত বলা হয়। তিনিই জ্ঞান, তিনিই জ্ঞেয় এবং তিনিই জ্ঞানের দ্বারা উপলব্ধ হওয়ার যোগ্য। তিনি সকলের হৃদয়ে অবস্থিত। এই অল্প কয়েকটি শব্দের মধ্যেই ভারতীয় দর্শনের আত্মতত্ত্ব, ব্রহ্মতত্ত্ব, জ্ঞানতত্ত্ব এবং মানুষের অন্তর্জগত সম্পর্কে এক অসাধারণ সত্য প্রকাশিত হয়েছে।
“জ্যোতিষামপি” শব্দটির অর্থ হলো সমস্ত জ্যোতিরও। এখানে জ্যোতি বলতে শুধু সূর্যের আলো, চন্দ্রের আলো কিংবা অগ্নির আলো বোঝানো হয় না। সংস্কৃত জ্যোতি শব্দের মূল ভাব হলো প্রকাশ, দীপ্তি এবং যা অন্য কিছুকে প্রকাশিত করে। বাহ্যিক আলো আমাদের চোখের সামনে বস্তু প্রকাশ করে। কিন্তু সেই বস্তুকে দেখার জন্য শুধু আলো যথেষ্ট নয়। চোখ থাকতে হবে, ইন্দ্রিয় সচল থাকতে হবে এবং তার সঙ্গে থাকতে হবে সচেতনতা। তাই কৃষ্ণ যখন বলেন “জ্যোতিষামপি তজ্জ্যোতিঃ”, তখন তিনি এমন এক পরম আলোর কথা বলছেন যার উপস্থিতির কারণে সমস্ত বাহ্যিক আলো, সমস্ত দৃশ্য এবং সমস্ত জ্ঞান আমাদের কাছে প্রকাশিত হয়। সূর্য পৃথিবীকে আলোকিত করে, কিন্তু সূর্যকে জানার জন্য যে চেতনা প্রয়োজন, সেই চেতনাই আরও মৌলিক আলো।
“তজ্জ্যোতিঃ” শব্দের অর্থ সেই জ্যোতি। এখানে তৎ শব্দটি সেই পরম সত্তাকে নির্দেশ করে এবং জ্যোতি নির্দেশ করে তাঁর প্রকাশময় স্বরূপকে। এই জ্যোতি কোনো বস্তুগত আলো নয়। এটি চৈতন্যের আলো। মানুষের চোখ ঘুমিয়ে পড়তে পারে, মন পরিবর্তিত হতে পারে, চিন্তা আসতে পারে এবং চলে যেতে পারে, স্মৃতি মুছে যেতে পারে, শরীর জন্ম নিতে পারে এবং একদিন বিলীন হয়ে যেতে পারে। কিন্তু যে চেতনার মধ্যে এই সমস্ত পরিবর্তন প্রকাশিত হয়, সেই চৈতন্যকে গীতার ভাষায় পরম জ্যোতি হিসেবে উপলব্ধি করা যায়। এই কারণে এই জ্যোতিকে অন্য কোনো আলোর সাহায্যে প্রকাশ করতে হয় না। এটি নিজেই প্রকাশমান।
এরপর এসেছে “তমসঃ পরমুচ্যতে”। তমস শব্দের আক্ষরিক অর্থ অন্ধকার। কিন্তু গীতার দার্শনিক অর্থে তমস শুধু আলোহীনতা নয়। এটি অজ্ঞানতা, অবিদ্যা, মোহ এবং সত্যকে আচ্ছন্ন করে রাখা অন্ধকারের প্রতীক। মানুষ যখন নিজের প্রকৃত পরিচয় না জেনে শরীর, সম্পদ, ক্ষমতা, সম্পর্ক কিংবা সামাজিক পরিচয়কেই নিজের সম্পূর্ণ সত্তা বলে মনে করে, তখন সে এক ধরনের তমসের মধ্যে অবস্থান করে। পরম শব্দের অর্থ হলো সর্বোচ্চ, অতীত কিংবা সীমার ওপারে। তাই তমসঃ পরমুচ্যতে অর্থ হলো সেই পরম সত্য অন্ধকারের অতীত। তিনি এমন আলো নন যা কেবল অন্ধকার দূর করে। তিনি এমন এক চৈতন্যসত্য যার তুলনায় আলো এবং অন্ধকার উভয়ই সীমাবদ্ধ ধারণা।
এই আলোচনার পর শ্লোকটি আরও গভীর হয়ে ওঠে “জ্ঞানং জ্ঞেয়ং জ্ঞানগম্যং” কথাটির মাধ্যমে। জ্ঞান শব্দটি সংস্কৃত জ্ঞা ধাতু থেকে এসেছে যার অর্থ জানা বা উপলব্ধি করা। কিন্তু এখানে জ্ঞান বলতে কেবল বই পড়ে অর্জিত তথ্য বোঝানো হয় না। প্রকৃত জ্ঞান হলো এমন উপলব্ধি যা মানুষের অজ্ঞতার আবরণ সরিয়ে দেয় এবং তাকে নিজের প্রকৃত স্বরূপ সম্পর্কে সচেতন করে। বাহ্যিক জ্ঞান আমাদের বলে পৃথিবী কীভাবে কাজ করে। কিন্তু আত্মজ্ঞান প্রশ্ন করে এই পৃথিবীকে যে আমি অনুভব করছি সেই আমি কে। এই প্রশ্নের মধ্য দিয়েই সাধারণ জ্ঞান ধীরে ধীরে আত্মজিজ্ঞাসায় পরিণত হয়।
জ্ঞেয় শব্দের অর্থ হলো যাকে জানা যায় বা যাকে জানা উচিত। সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে জ্ঞাতা এবং জ্ঞেয় আলাদা থাকে। একজন মানুষ জ্ঞাতা এবং কোনো বস্তু জ্ঞেয়। কিন্তু পরম সত্যের ক্ষেত্রে কৃষ্ণ বলছেন তিনিই জ্ঞান এবং তিনিই জ্ঞেয়। অর্থাৎ যে সত্যকে জানার জন্য মানুষ অনুসন্ধান করছে, শেষ পর্যন্ত সেই সত্যই জ্ঞানের পরিণতি। এখানেই গীতার জ্ঞানতত্ত্ব সাধারণ জ্ঞান থেকে আধ্যাত্মিক জ্ঞানের দিকে অগ্রসর হয়। মানুষ বাহ্যিক জগতের অসংখ্য বিষয় জানতে জানতে একসময় নিজের অস্তিত্বের মূল রহস্যের দিকে ফিরে আসে।
জ্ঞানগম্য শব্দটিও অত্যন্ত গভীর। জ্ঞান শব্দের সঙ্গে গম্য যুক্ত হয়ে বোঝায় জ্ঞানের দ্বারা যার কাছে পৌঁছানো যায়। এখানে পৌঁছানো কোনো ভৌগোলিক স্থানান্তর নয়। পরম সত্য কোথাও দূরে অবস্থান করছেন এবং মানুষ জ্ঞান অর্জন করে সেখানে গিয়ে পৌঁছাবে এমন নয়। বরং অজ্ঞতার আবরণ দূর হলেই যে সত্য সর্বদা উপস্থিত ছিল তা উপলব্ধি হয়। আত্মজ্ঞান তাই নতুন কোনো বস্তু অর্জন নয়। এটি নিজের অন্তর্নিহিত সত্যকে চিনে নেওয়া। যেমন মেঘ সরে গেলে সূর্য নতুন করে জন্মায় না। সূর্য আগে থেকেই ছিল। শুধু তার প্রকাশ আমাদের কাছে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তেমনি মানুষের অন্তরের চৈতন্যও সর্বদা বিদ্যমান, কিন্তু অজ্ঞানতার আবরণে তার উপলব্ধি অস্পষ্ট থাকে।
শ্লোকটির শেষ অংশ “হৃদি সর্বস্য বিষ্ঠিতম্” এই সমগ্র দর্শনকে মানুষের অন্তর্জগতে এনে স্থাপন করেছে। হৃদি শব্দের অর্থ হৃদয়ে। এখানে হৃদয় শুধু দেহের একটি অঙ্গ নয়। ভারতীয় আধ্যাত্মিক ভাষায় হৃদয় হলো মানুষের অন্তঃস্থল, অন্তঃকরণ এবং গভীরতম চেতনার কেন্দ্র। সর্বস্য অর্থ সকলের। বিষ্ঠিতম্ অর্থ অবস্থিত। অর্থাৎ পরম সত্য কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বিশেষ সম্প্রদায়ের সম্পত্তি নয়। তিনি সকলের হৃদয়ে অবস্থিত। এই বক্তব্যের মধ্যে এক গভীর সার্বজনীনতা রয়েছে। মানুষের বাহ্যিক পরিচয় যতই আলাদা হোক, তার অন্তর্নিহিত চৈতন্যের সত্য একই পরম বাস্তবতার দিকে নির্দেশ করে।
অদ্বৈত বেদান্তের দৃষ্টিতে এই শ্লোকের তাৎপর্য আরও গভীর। অদ্বৈত মতে আত্মা এবং ব্রহ্মের মধ্যে চূড়ান্ত সত্যের স্তরে কোনো দ্বৈততা নেই। চৈতন্য কোনো বাহ্যিক বস্তু নয় যে তাকে চোখ দিয়ে দেখা যাবে। বরং চোখ, মন এবং বুদ্ধির কার্যকলাপকে প্রকাশিত করার মূল ভিত্তিই হলো চৈতন্য। আমরা চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখি, কিন্তু চোখকে মন অনুভব করে। মনকে বুদ্ধি বিচার করে। কিন্তু মন ও বুদ্ধির কার্যকলাপকেও যে চেতনা প্রত্যক্ষ করে তার জন্য আর কোনো বাহ্যিক আলো প্রয়োজন হয় না। এই স্বপ্রকাশ চৈতন্যই সকল জ্যোতিরও জ্যোতি হিসেবে বোঝা যায়।
সাংখ্য দর্শনের দৃষ্টিতেও এই শ্লোকের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সাংখ্যে পুরুষ হলো চৈতন্যস্বরূপ দ্রষ্টা এবং প্রকৃতি হলো পরিবর্তনশীল প্রকাশের ক্ষেত্র। দেহ পরিবর্তিত হয়, ইন্দ্রিয় পরিবর্তিত হয়, মন পরিবর্তিত হয়, চিন্তা পরিবর্তিত হয় এবং অনুভূতিও পরিবর্তিত হয়। কিন্তু যে সত্তা এই পরিবর্তনকে প্রত্যক্ষ করে তার প্রকৃতি অন্যরকম। যোগদর্শনের ক্ষেত্রেও অন্তরের চৈতন্যকে উপলব্ধি করার জন্য চিত্তের অস্থিরতা ও আবরণ অতিক্রম করার কথা বলা হয়েছে। তাই ধ্যান, আত্মপর্যবেক্ষণ এবং চিত্তের সংযমকে আধ্যাত্মিক উপলব্ধির পথ হিসেবে দেখা হয়।
সাহিত্যিক ও প্রতীকী দিক থেকেও শ্লোকটি অসাধারণ সুন্দর। এখানে আলো এবং অন্ধকারের একটি চিরন্তন প্রতীকী সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আলো জ্ঞানের প্রতীক এবং অন্ধকার অজ্ঞানের প্রতীক। আলো প্রকাশ করে এবং অন্ধকার আচ্ছন্ন করে। আলো মানুষকে পথ দেখায় এবং অন্ধকার তাকে বিভ্রান্ত করে। কিন্তু কৃষ্ণের বক্তব্য আরও গভীর। তিনি কেবল অন্ধকারের বিপরীতে আলোকে স্থাপন করেননি। তিনি বলেছেন পরম সত্য অন্ধকারের অতীত। অর্থাৎ সত্যকে শুধু বাহ্যিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নয়, অজ্ঞতার মূল কারণকে অতিক্রম করার মাধ্যমে উপলব্ধি করতে হয়।
মানবজীবনের ক্ষেত্রেও এই শ্লোকের শিক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মানুষ প্রায়ই শান্তি, সুখ, সাফল্য এবং সত্যকে বাইরের জগতে খুঁজে বেড়ায়। সম্পদ, সম্মান, ক্ষমতা এবং সম্পর্ক মানুষের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলো কোনোটি স্থায়ী নয়। জীবনের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয় এবং মানুষের পরিচয়ও পরিবর্তিত হয়। কিন্তু নিজের মধ্যে এমন একটি চৈতন্য আছে যা সমস্ত পরিবর্তনকে প্রত্যক্ষ করে। সেই অন্তর্গত সচেতনতার দিকে ফিরে তাকানোই আত্মঅনুসন্ধানের সূচনা। এই কারণে শ্লোকটি মানুষকে বাইরের জগত থেকে পালিয়ে যেতে বলে না। বরং বাহ্যিক জগতের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই অন্তরের সত্যকে চিনতে শেখায়।
একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝা যায়। একটি অন্ধকার ঘরে একটি প্রদীপ জ্বালানো হলো। প্রদীপের আলোয় ঘরের সবকিছু দেখা গেল। কিন্তু প্রদীপের আলোকে দেখার জন্য আবার আরেকটি প্রদীপের প্রয়োজন হলো না। তার নিজের আলোতেই সে প্রকাশিত। একইভাবে চৈতন্য অন্য সব অভিজ্ঞতাকে প্রকাশ করে। আমরা দেহকে জানি, মনকে জানি, চিন্তাকে জানি এবং অনুভূতিকে জানি। কিন্তু এই জানার মূল ভিত্তি যে চৈতন্য, তাকে জানার জন্য আরেকটি চৈতন্যের প্রয়োজন হয় না। এই অর্থেই তিনি সকল জ্যোতিরও জ্যোতি।
এই শ্লোকের একটি অসাধারণ দিক হলো এটি মহাবিশ্বের আলো থেকে মানুষের হৃদয়ে এসে শেষ হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছে সমস্ত জ্যোতিরও তিনি জ্যোতি। তারপর বলা হয়েছে তিনি অন্ধকারের অতীত। এরপর বলা হয়েছে তিনি জ্ঞান এবং জ্ঞেয় এবং জ্ঞানগম্য। আর সবশেষে বলা হয়েছে তিনি সকলের হৃদয়ে অবস্থিত। যেন সমগ্র মহাবিশ্বের অনুসন্ধান শেষ পর্যন্ত মানুষের নিজের অন্তরের দরজায় এসে থামে। মানুষ বাইরে যতই অনুসন্ধান করুক, সত্যের চূড়ান্ত অনুসন্ধান তাকে নিজের চেতনার গভীরে ফিরিয়ে আনে।
এই দৃষ্টিতে শ্লোকটি শুধু ঈশ্বরের প্রশংসা নয়। এটি মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কে একটি গভীর ঘোষণা। যে চৈতন্যের কারণে আমরা জগতকে অনুভব করি, যে জ্ঞানের কারণে আমরা সত্য ও অসত্যের পার্থক্য করতে পারি এবং যে অন্তর্গত সচেতনতার কারণে আমরা নিজের অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রশ্ন করতে পারি, সেই চৈতন্যই পরম জ্যোতির প্রতীক। তাই পরম সত্যকে খুঁজে পাওয়া মানে কোনো দূরবর্তী স্থানে গিয়ে নতুন কিছু অর্জন করা নয়। বরং নিজের অন্তরের অজ্ঞতার পর্দা সরিয়ে সেই চিরন্তন উপস্থিতিকে উপলব্ধি করা।
সবশেষে বলা যায়, “জ্যোতিষামপি তজ্জ্যোতিস্তমসঃ পরমুচ্যতে জ্ঞানং জ্ঞেয়ং জ্ঞানগম্যং হৃদি সর্বস্য বিষ্ঠিতম্” শ্লোকটি মানুষের বাহ্যিক জগতের আলো থেকে অন্তর্জগতের চৈতন্যের আলোতে যাত্রার একটি গভীর আধ্যাত্মিক নির্দেশনা। এখানে জ্যোতি হলো চেতনার প্রতীক, তমস হলো অজ্ঞতার প্রতীক, জ্ঞান হলো সত্য উপলব্ধির পথ এবং হৃদয় হলো সেই সত্যের অন্তর্নিহিত অবস্থান। সমস্ত আলোকে যে আলো প্রকাশিত করে, সমস্ত জ্ঞানকে যে চৈতন্য সম্ভব করে এবং সকল মানুষের অন্তরে যে পরম সত্য বিরাজমান, গীতা সেই সত্যকেই উপলব্ধির আহ্বান জানায়। তাই এই শ্লোকের অন্তর্নিহিত বাণী যেন এমন যে মানুষ যতদিন সত্যকে নিজের বাইরে খুঁজবে ততদিন তার অনুসন্ধান অসম্পূর্ণ থাকবে। যখন সে নিজের অন্তরের গভীরে ফিরে এসে সেই চৈতন্যকে অনুভব করবে, তখনই সে উপলব্ধি করবে যে যে আলোকে সে এতদিন বাইরে খুঁজছিল, সেই পরম আলো তার নিজের অন্তরেই নীরবে জ্বলছে।
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!