ভগবদ্গীতা ১৩.২১ — কর্মের কারণ প্রকৃতি ও সুখ-দুঃখের ভোক্তা পুরুষ
কার্যকারণকর্তৃত্বে হেতুঃ প্রকৃতিরচ্যতে।
পুরুষঃ সুখদুঃখনাং ভোক্তৃত্বে হেতুরুচ্যতে।।২১।।
অনুবাদঃ সমস্ত জড়ীয় কার্য ও কারণের কর্তৃত্ব বিষয়ে প্রকৃতিকে হেতু বলা হয়, তেমনিই জড়ীয় সুখ ও দুঃখের ভোগ বিষয়ে জীবকে হেতু বলা হয়।
ভগবদ্গীতার ত্রয়োদশ অধ্যায়ের একুশতম শ্লোকে বলা হয়েছে, কার্য, করণ ও কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে প্রকৃতিকে কারণ বলা হয় এবং সুখ ও দুঃখের ভোক্তৃত্বের ক্ষেত্রে পুরুষকে কারণ বলা হয়। এই সংক্ষিপ্ত শ্লোকের মধ্যে ভারতীয় দর্শনের অত্যন্ত গভীর একটি প্রশ্ন নিহিত রয়েছে। মানুষ কাজ করে, চিন্তা করে, অনুভব করে, সুখ পায়, দুঃখ পায় এবং জীবনের প্রতিটি অভিজ্ঞতার সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে। কিন্তু সেই কাজ কে করছে এবং সেই সুখদুঃখ কে অনুভব করছে, এই প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করতে গিয়েই প্রকৃতি ও পুরুষের তত্ত্ব সামনে আসে।
এখানে প্রথমেই প্রকৃতি শব্দটির দিকে তাকানো প্রয়োজন। সংস্কৃত প্রকৃতি শব্দটি প্র এবং কৃ ধাতুর সঙ্গে সম্পর্কিত। কৃ অর্থ করা, সৃষ্টি করা বা সম্পাদন করা। সেই অর্থে প্রকৃতি বলতে এমন মৌলিক শক্তি বা তত্ত্বকে বোঝানো যায় যার মাধ্যমে সৃষ্টি ও কার্যপ্রবাহ প্রকাশিত হয়। গীতার এই প্রসঙ্গে প্রকৃতি বলতে কেবল আমাদের চারপাশের গাছপালা, নদী, পাহাড় বা দৃশ্যমান জগতকে বোঝানো হয় না। এখানে প্রকৃতি একটি বৃহত্তর তত্ত্ব। দেহ, ইন্দ্রিয়, মন, বুদ্ধি, অহংকার এবং তাদের সমস্ত পরিবর্তনশীল কার্যপ্রবাহ প্রকৃতির অন্তর্গত। প্রকৃতি পরিবর্তনশীল এবং তার মধ্যে সত্ত্ব, রজঃ ও তমঃ এই তিন গুণের ক্রিয়া চলমান থাকে।
শ্লোকে কার্য এবং করণ শব্দ দুটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কার্য অর্থ কাজ, ফল বা যা সম্পন্ন হয়েছে। করণ অর্থ যার দ্বারা কোনো কাজ সম্পন্ন হয়, অর্থাৎ উপকরণ বা মাধ্যম। মানুষের চোখ দেখা কাজের উপকরণ, কান শোনার উপকরণ, হাত কাজ করার উপকরণ এবং মন ও বুদ্ধিও বিভিন্ন মানসিক কার্য সম্পাদনের উপকরণ হিসেবে কাজ করে। দেহ ও ইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে অসংখ্য কার্য সংঘটিত হয়। তাই কার্য ও করণ উভয়ই প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রকৃতি যেন একটি বিশাল কর্মব্যবস্থা, যার মধ্যে দেহ, ইন্দ্রিয়, মন ও বুদ্ধি নিজেদের নিজস্ব নিয়মে কাজ করে।
এরপর আসে কর্তৃত্ব শব্দটি। কর্তৃত্ব অর্থ কর্তা হওয়ার অবস্থা। সংস্কৃত কৃ ধাতু থেকে কর্তা অর্থাৎ যে করে এই ধারণার উৎপত্তি। তার সঙ্গে ত্ব প্রত্যয় যুক্ত হয়ে কর্তৃত্ব শব্দটি গঠিত হয়েছে। সাধারণ জীবনে আমরা প্রত্যেক কাজের সঙ্গে একটি কর্তার ধারণা যুক্ত করি। আমরা বলি আমি কাজ করেছি, আমি কথা বলেছি, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমি সফল হয়েছি অথবা আমি ব্যর্থ হয়েছি। কিন্তু গীতার দর্শন এখানেই একটি গভীর প্রশ্ন তোলে। এই আমি আসলে কে। দেহ কি এই আমি, মন কি এই আমি, বুদ্ধি কি এই আমি, নাকি এদের প্রত্যক্ষকারী কোনো গভীরতর চৈতন্যসত্তা আছে।
গীতার সাংখ্যভিত্তিক বিশ্লেষণে প্রকৃতি কার্য ও করণের কারণ এবং প্রকৃতির মধ্যেই কর্মের প্রবাহ ঘটে। দেহ পরিবর্তিত হয়, ইন্দ্রিয়ের ক্ষমতা পরিবর্তিত হয়, মন এক মুহূর্তে আনন্দিত এবং অন্য মুহূর্তে বিষণ্ণ হয়, বুদ্ধির সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয় এবং মানুষের আকাঙ্ক্ষাও সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। অথচ মানুষ এই সমস্ত পরিবর্তনের মধ্যেও একটি ধারাবাহিক আমি অনুভব করে। এই অনুভূতিই আমাদের প্রকৃতি ও পুরুষের পার্থক্যের দিকে নিয়ে যায়।
পুরুষ শব্দটি ভারতীয় দর্শনের অন্যতম গভীরতম শব্দ। পুরুষকে এখানে চৈতন্যস্বরূপ সত্তা, সাক্ষী এবং অভিজ্ঞতাকারী হিসেবে বোঝা যায়। প্রকৃতি যেখানে পরিবর্তনশীল, পুরুষ সেখানে চৈতন্যের প্রতীক। প্রকৃতির মধ্যে কাজ ঘটে, কিন্তু সেই কাজ সম্পর্কে সচেতনতার প্রকাশ ঘটে পুরুষের উপস্থিতিতে। এই কারণে শ্লোকটি পুরুষকে সুখ ও দুঃখের ভোক্তৃত্বের হেতু বলে উল্লেখ করেছে।
ভোক্তৃত্ব শব্দটি এসেছে ভোক্তৃ ধারণা থেকে। ভোক্তৃ অর্থ যে ভোগ করে বা অভিজ্ঞতা লাভ করে। এখানে ভোগ বলতে শুধু ইন্দ্রিয়সুখ বোঝায় না। আনন্দ পাওয়া, দুঃখ পাওয়া, সম্মানিত হওয়া, অপমানিত হওয়া, ভালোবাসা অনুভব করা, বিচ্ছেদে কষ্ট পাওয়া, সফলতায় আনন্দিত হওয়া এবং ব্যর্থতায় হতাশ হওয়া সবই অভিজ্ঞতার অন্তর্ভুক্ত। তাই সুখদুঃখের ভোক্তৃত্ব বলতে মানুষের সমগ্র অনুভূতিজগতের অভিজ্ঞতাকে বোঝানো হয়েছে।
মানুষ যখন সুখ পায় তখন বলে আমি সুখী। যখন দুঃখ পায় তখন বলে আমি দুঃখী। কিন্তু সুখ ও দুঃখ কখনো স্থায়ী নয়। যে বিষয় আজ আনন্দ দেয়, কাল সেটিই বিরক্তির কারণ হতে পারে। যে মানুষ আজ অত্যন্ত প্রিয়, সময়ের পরিবর্তনে তার সঙ্গে সম্পর্কও বদলে যেতে পারে। যে পরিস্থিতি আজ দুঃখের কারণ, ভবিষ্যতে সেই অভিজ্ঞতাই জীবনের শিক্ষা হয়ে উঠতে পারে। অর্থাৎ সুখ ও দুঃখ পরিবর্তনশীল। গীতার দর্শন আমাদের এই পরিবর্তনশীল অভিজ্ঞতার সঙ্গে অপরিবর্তনীয় আত্মসত্তার পার্থক্য উপলব্ধি করতে আহ্বান জানায়।
এই কারণেই প্রকৃতি ও পুরুষকে দুটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে বোঝা যায়। প্রকৃতি কর্মের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং পুরুষ অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত। প্রকৃতির মধ্যে দেহ কাজ করে, ইন্দ্রিয় বিষয় গ্রহণ করে, মন চিন্তা করে এবং বুদ্ধি বিচার করে। অন্যদিকে পুরুষ সেই সমগ্র অভিজ্ঞতাকে চৈতন্যের মধ্যে প্রকাশিত হতে দেয়। এই সম্পর্ক বোঝা না গেলে মানুষ প্রকৃতির কার্যকে নিজের প্রকৃত সত্তার সঙ্গে এক করে ফেলে এবং মনে করে আমি কর্তা, আমি ভোক্তা, আমি সুখী এবং আমি দুঃখী।
এই ভ্রান্ত পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো অহংকার। অহংকার এখানে শুধু দাম্ভিকতা নয়। দর্শনের ভাষায় অহংকার হলো সেই মানসিক পরিচয় যার মাধ্যমে মানুষ দেহ, মন ও কর্মের সঙ্গে আমি ধারণাকে যুক্ত করে। হাত কাজ করল, মন সিদ্ধান্ত নিল, বুদ্ধি পরিকল্পনা করল, দেহ চলল এবং মানুষ বলল আমি করলাম। এই আমি কর্তা ধারণাই কর্তৃত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত। গীতার শিক্ষা হলো কর্ম থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়, বরং কর্মের প্রকৃতি এবং নিজের প্রকৃত পরিচয়কে সঠিকভাবে বোঝা।
এই শ্লোকের মধ্যে কর্মযোগের একটি গভীর ভিত্তিও রয়েছে। মানুষকে তার কর্তব্য পালন করতে হবে, কিন্তু কর্মের অহংকারে আবদ্ধ হওয়া উচিত নয়। কর্ম চলবে, দেহ কাজ করবে, মন চিন্তা করবে এবং বুদ্ধি সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু জ্ঞানী ব্যক্তি বুঝবেন যে প্রকৃতির স্তরে কর্ম সংঘটিত হচ্ছে এবং আত্মার প্রকৃত স্বরূপকে সেই পরিবর্তনশীল কর্মের সঙ্গে সম্পূর্ণ অভিন্ন করা উচিত নয়। এই উপলব্ধি কর্মকে বন্ধনের কারণ না করে আত্মশুদ্ধির উপায়ে পরিণত করতে পারে।
শ্লোকটির একটি সুন্দর উপমা হতে পারে নাট্যমঞ্চ। একটি নাট্যমঞ্চে যুদ্ধ হচ্ছে, প্রেম হচ্ছে, হাসি হচ্ছে, কান্না হচ্ছে এবং মৃত্যু ঘটছে। অভিনেতারা বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছে। কিন্তু দর্শক সেই সব ঘটনা প্রত্যক্ষ করছে। দর্শক নিজে চরিত্র নয়, অথচ তার উপস্থিতি ছাড়া নাটকের অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ হয় না। এই উপমায় প্রকৃতিকে নাটকের মঞ্চ, অভিনেতা ও অভিনয়ের কার্যপ্রবাহের সঙ্গে এবং পুরুষকে দর্শক ও সাক্ষীর সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। অবশ্য এটি কেবল বোঝার সুবিধার জন্য একটি উপমা। আত্মা এবং সাধারণ দর্শকের মধ্যে আক্ষরিক সমতা স্থাপন করা এই দর্শনের উদ্দেশ্য নয়।
আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এই শ্লোকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একজন মানুষ যখন রাগান্বিত হয় তখন সে সাধারণত বলে আমি রাগ করেছি। কিন্তু গভীর আত্মপর্যবেক্ষণে সে বলতে পারে আমার মধ্যে রাগের অনুভূতি উঠেছে। এই দুটি বাক্যের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। প্রথমটিতে ব্যক্তি নিজেকে রাগের সঙ্গে অভিন্ন করছে। দ্বিতীয়টিতে সে রাগকে একটি অভিজ্ঞতা হিসেবে পর্যবেক্ষণ করছে। আধ্যাত্মিক সাধনায় এই পর্যবেক্ষকসত্তার বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তখন মানুষ বুঝতে শুরু করে যে তার চিন্তা, আবেগ ও অনুভূতিগুলো তার অভিজ্ঞতার অংশ হলেও তার সম্পূর্ণ পরিচয় নয়।
সাংখ্য দর্শনের দৃষ্টিতে প্রকৃতি এবং পুরুষের পার্থক্য মৌলিক। প্রকৃতি পরিবর্তনশীল এবং পুরুষ চৈতন্যস্বরূপ। অদ্বৈত বেদান্ত এই বিষয়কে আরও ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে। অদ্বৈতের মতে পরম সত্য ব্রহ্ম এবং আত্মার প্রকৃত স্বরূপ সেই ব্রহ্মের সঙ্গে অভিন্ন। অজ্ঞতার কারণে মানুষ দেহ, মন ও অহংকারের সঙ্গে আত্মাকে এক করে দেখে এবং তখন কর্তা ও ভোক্তার সীমাবদ্ধ ধারণা তৈরি হয়। আত্মজ্ঞান উদিত হলে সে উপলব্ধি করে যে দেহ ও মন পরিবর্তনশীল হলেও চৈতন্যস্বরূপ আত্মা সেই পরিবর্তনের সাক্ষী।
এই উপলব্ধির নৈতিক গুরুত্বও গভীর। যদি কেউ এই শ্লোককে ভুলভাবে বুঝে বলে প্রকৃতিই সব করে, তাই আমার কোনো দায়িত্ব নেই, তাহলে সে গীতার শিক্ষাকে বিকৃত করবে। প্রকৃতি ও পুরুষের পার্থক্য বোঝার অর্থ নৈতিক দায়িত্ব থেকে পালানো নয়। বরং এর অর্থ হলো অহংকার ও আসক্তি ছাড়া নিজের কর্তব্য পালন করা। জ্ঞানী ব্যক্তি কর্ম পরিত্যাগ করেন না। তিনি কর্মের মধ্যে থেকেও কর্মের সঙ্গে নিজের চূড়ান্ত পরিচয়কে এক করে ফেলেন না।
শ্লোকটির সবচেয়ে গভীর শিক্ষা তাই মানুষের আত্মপরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষ সাধারণত নিজেকে দেহ বলে মনে করে। তারপর নিজেকে মন, স্মৃতি, সম্পর্ক, পেশা, সম্পদ, সাফল্য ও ব্যর্থতার মাধ্যমে সংজ্ঞায়িত করে। কিন্তু এগুলোর সবই পরিবর্তনশীল। শিশুকালের দেহ এবং বর্তমানের দেহ এক নয়। পুরোনো চিন্তা ও বর্তমান চিন্তা এক নয়। জীবনের পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়। তবু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি ধারাবাহিক সচেতন আমি অনুভূত হয়। এই সাক্ষীসত্তার অনুসন্ধানই আত্মজিজ্ঞাসার সূচনা।
সুতরাং কার্যকরণকর্তৃত্বে হেতুঃ প্রকৃতিরুচ্যতে এবং পুরুষঃ সুখদুঃখানাং ভোক্তৃত্বে হেতুরুচ্যতে এই শ্লোক কেবল প্রকৃতি ও পুরুষের একটি তাত্ত্বিক সংজ্ঞা নয়। এটি মানুষের অস্তিত্ব সম্পর্কে একটি গভীর অনুসন্ধান। প্রকৃতি আমাদের দেহ, ইন্দ্রিয়, মন, বুদ্ধি ও কর্মের পরিবর্তনশীল জগতকে ধারণ করে। পুরুষ চৈতন্যের সেই গভীর মাত্রাকে নির্দেশ করে যার উপস্থিতিতে সমস্ত অভিজ্ঞতা প্রকাশিত হয়। মানুষ যখন প্রকৃতির কর্মকে নিজের প্রকৃত আত্মপরিচয় বলে গ্রহণ করে তখন কর্তা হওয়ার অহংকার এবং সুখদুঃখের বন্ধন তাকে আবদ্ধ করে। আর যখন সে প্রকৃতি ও পুরুষের পার্থক্য উপলব্ধি করতে শুরু করে তখন তার মধ্যে এক নতুন স্বাধীনতার জন্ম হয়।
এই শ্লোকের সারমর্ম তাই হলো প্রকৃতি কর্মের ক্ষেত্র এবং পুরুষ চৈতন্যের ক্ষেত্র। প্রকৃতির মধ্যে দেহ ও মন কাজ করে এবং জীবনের নানা অভিজ্ঞতা সৃষ্টি হয়। পুরুষ সেই অভিজ্ঞতার চৈতন্যস্বরূপ সাক্ষী। এই সত্য উপলব্ধি করার অর্থ জীবন থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়, বরং জীবনের মধ্যে থেকেই নিজের প্রকৃত পরিচয়কে আবিষ্কার করা। সুখ আসবে, দুঃখ আসবে, সাফল্য আসবে, ব্যর্থতা আসবে এবং জীবনের কর্মপ্রবাহ চলতেই থাকবে। কিন্তু যে ব্যক্তি বুঝতে পারে পরিবর্তনশীল প্রকৃতি তার অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র হলেও তার অন্তরের চৈতন্যসত্তা সেই পরিবর্তনের চেয়েও গভীর, তার কাছে জীবন ধীরে ধীরে বন্ধনের ক্ষেত্র থেকে জ্ঞান ও মুক্তির পথে পরিণত হয়।
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!