সম্পর্কিত

শেয়ার করুন

ভগবদ্গীতা ১৪.১১ — দেহের সকল দ্বারে জ্ঞানের প্রকাশ ও সত্ত্বগুণের বিকাশ

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
তারিখে পোস্ট করা হয়েছে
সর্বদ্বারেষু দেহহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে। জ্ঞানং যদা তদা বিদ্যাদ্ বিবৃদ্ধং সত্ত্বমিত্যুত।।১১।।
সর্বদ্বারেষু দেহহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে। 
জ্ঞানং যদা তদা বিদ্যাদ্ বিবৃদ্ধং সত্ত্বমিত্যুত।।১১।।

অনুবাদঃ যখন এই দেহের সব কয়টি দ্বারে জ্ঞানের প্রকাশ হয়, তখন সত্ত্বগুণ বর্ধিত হয়েছে বলে জানবে।

ভগবদ্গীতার চতুর্দশ অধ্যায়ের একাদশ শ্লোক মানুষের অন্তর্জগতের এক অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরিবর্তনের কথা প্রকাশ করে। শ্রীকৃষ্ণ এখানে বোঝাচ্ছেন, মানুষের দেহ ও চেতনার সমস্ত দ্বারে যখন জ্ঞানের আলো প্রকাশিত হতে থাকে, তখন বুঝতে হবে তার মধ্যে সত্ত্বগুণের বিকাশ ঘটেছে। শ্লোকটি হলো সর্বদ্বারেষু দেহেহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে জ্ঞানং যদা তদা বিদ্যাদ্ বিবৃদ্ধং সত্ত্বমিত্যুত। এর সরল অর্থ হলো, এই দেহের সমস্ত দ্বারে যখন জ্ঞানের প্রকাশ ঘটে, তখন জানতে হবে যে সত্ত্বগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এই সংক্ষিপ্ত বাক্যের মধ্যে মানুষের মন, ইন্দ্রিয়, বুদ্ধি, জ্ঞান, আত্মসচেতনতা এবং আধ্যাত্মিক বিকাশ সম্পর্কে এক গভীর দর্শন নিহিত রয়েছে।

সর্বদ্বারেষু শব্দের অর্থ সমস্ত দ্বারে। এখানে দ্বার বলতে কেবল বাহ্যিক দরজা বোঝানো হয়নি। মানুষের চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বক যেমন বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পথ, তেমনি মন ও বুদ্ধিও অভিজ্ঞতা গ্রহণ, বিচার এবং উপলব্ধির গুরুত্বপূর্ণ দ্বার। দেহেহস্মিন্ অর্থ এই দেহে। অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণ মানুষের সমগ্র দেহ ও মনকে এমন একটি ক্ষেত্র হিসেবে দেখিয়েছেন যার বিভিন্ন দ্বারের মাধ্যমে জগতের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক স্থাপিত হয়। প্রকাশ শব্দটি এসেছে এমন একটি ভাব থেকে যার মধ্যে আলো, দীপ্তি, উন্মোচন এবং স্পষ্টতার অর্থ নিহিত। তাই এখানে প্রকাশ বলতে সাধারণ কোনো আলো বোঝানো হয়নি। এটি হলো জ্ঞানের আলো, চেতনার স্বচ্ছতা এবং সত্যকে যথার্থভাবে উপলব্ধি করার ক্ষমতা। উপজায়তে অর্থ উদিত হয়, জন্ম নেয় বা প্রকাশিত হয়। ফলে সর্বদ্বারেষু দেহেহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে কথাটির মধ্যে এমন এক অন্তর্গত অবস্থার কথা বলা হয়েছে যেখানে মানুষের সমস্ত অনুভব ও উপলব্ধির পথে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে পড়ে।

এই শ্লোকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলোর একটি হলো জ্ঞান। সংস্কৃত জ্ঞান শব্দটি জানা বা উপলব্ধির ধারণার সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু এখানে জ্ঞান বলতে কেবল বই পড়ে তথ্য সংগ্রহ করা বোঝানো হয়নি। একজন মানুষ বহু বিষয় সম্পর্কে তথ্য জানলেও তার অন্তরে প্রকৃত জ্ঞান নাও জন্মাতে পারে। প্রকৃত জ্ঞান মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করে। সে তখন নিজের ইচ্ছা, ভয়, লোভ, ক্রোধ, অহংকার এবং আকাঙ্ক্ষাকে দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করতে পারে। সে বুঝতে পারে কোনটি স্থায়ী এবং কোনটি ক্ষণস্থায়ী, কোনটি সত্য এবং কোনটি বিভ্রম, কোনটি কল্যাণকর এবং কোনটি কেবল তাৎক্ষণিক আকর্ষণের বিষয়। তাই এই শ্লোকে জ্ঞান হলো এমন এক অন্তর্দৃষ্টি যা মানুষের জীবনযাপনকে আলোকিত করে।

যদা এবং তদা শব্দ দুটি শ্লোকটির মধ্যে একটি গভীর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। যখন একটি নির্দিষ্ট পরিবর্তন দেখা যায়, তখন তার ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট সত্য উপলব্ধি করতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ যেন একজন সাধককে নিজের অন্তর্জগত পর্যবেক্ষণ করতে শেখাচ্ছেন। তিনি বলছেন, নিজের মধ্যে লক্ষ করো। যদি তোমার ইন্দ্রিয়, মন ও বুদ্ধির কার্যকলাপে ক্রমশ স্বচ্ছতা, শান্তি, সংযম এবং জ্ঞানের বিকাশ ঘটতে থাকে, তবে বুঝবে তোমার মধ্যে সত্ত্বগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থাৎ আধ্যাত্মিক উন্নতির লক্ষণ কেবল বাহ্যিক আচারে নয়, বরং মানুষের উপলব্ধির গুণমানের মধ্যেও প্রকাশিত হয়।

সত্ত্ব শব্দটির মধ্যে অস্তিত্ব, বিশুদ্ধতা, স্বচ্ছতা এবং আলোকময়তার ভাব রয়েছে। সাংখ্যদর্শনে সত্ত্ব প্রকৃতির তিন গুণের একটি। অপর দুটি হলো রজঃ এবং তমঃ। রজঃ মানুষের মধ্যে প্রবল কর্মস্পৃহা, আকাঙ্ক্ষা, অস্থিরতা ও ফলের প্রতি আসক্তি সৃষ্টি করে। তমঃ অজ্ঞান, জড়তা, অলসতা, বিভ্রান্তি এবং আচ্ছন্নতার সঙ্গে সম্পর্কিত। সত্ত্ব এই দুইয়ের তুলনায় স্বচ্ছ, শান্ত এবং জ্ঞানমুখী। সত্ত্ব বৃদ্ধি পেলে মানুষের মন এমন একটি আয়নার মতো হয়ে ওঠে যেখানে বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি তুলনামূলকভাবে পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।

এই কারণেই প্রকাশ শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। অন্ধকার ঘরে কোনো বস্তু থাকলেও অন্ধকারের কারণে তা স্পষ্টভাবে দেখা যায় না। আলো জ্বাললে বস্তুটি নতুন করে সৃষ্টি হয় না। কেবল তার অস্তিত্ব প্রকাশিত হয়। মানুষের চেতনার ক্ষেত্রেও একই সত্য প্রযোজ্য। জ্ঞান বাইরে থেকে কোনো নতুন বাস্তবতা তৈরি করে না। বরং অজ্ঞানের আবরণ সরে গেলে যে সত্য ইতিমধ্যেই উপস্থিত ছিল, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই দৃষ্টিতে সত্ত্বগুণ হলো চেতনার সেই স্বচ্ছ অবস্থা যা সত্যকে প্রকাশিত হওয়ার সুযোগ দেয়।

মানুষের পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়কে যদি পাঁচটি দ্বার হিসেবে দেখা হয়, তবে প্রত্যেক দ্বার দিয়েই জগতের নানা অভিজ্ঞতা মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে। চোখ নানা দৃশ্য দেখে, কান নানা শব্দ শোনে, নাক গন্ধ গ্রহণ করে, জিহ্বা স্বাদ গ্রহণ করে এবং ত্বক স্পর্শ অনুভব করে। কিন্তু একই বিষয় প্রত্যেক মানুষ একইভাবে গ্রহণ করে না। একজন মানুষ কোনো দৃশ্য দেখে লোভে আক্রান্ত হতে পারে, আর অন্য একজন একই দৃশ্য দেখে তার সৌন্দর্য উপলব্ধি করতে পারে। একজন প্রশংসা শুনে অহংকারে ভেসে যেতে পারে, আর অন্য একজন প্রশংসা শুনেও নিজের ভারসাম্য ধরে রাখতে পারে। এখানেই সত্ত্বের ভূমিকা। সত্ত্ব ইন্দ্রিয়কে নিষ্ক্রিয় করে না। বরং ইন্দ্রিয়ের অভিজ্ঞতাকে অধিক সচেতন ও নির্মল করে।

এই শ্লোকের আলোকে মানুষের মনকে একটি শান্ত হ্রদের সঙ্গে তুলনা করা যায়। বাতাস প্রবল হলে হ্রদের জলে ঢেউ ওঠে এবং আকাশের প্রতিচ্ছবি ভেঙে যায়। কিন্তু বাতাস থেমে গেলে জল শান্ত হয় এবং আকাশ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়। মানুষের মনও তেমন। রজঃ যখন প্রবল হয় তখন মন নানা আকাঙ্ক্ষা, উদ্বেগ ও অস্থিরতায় আলোড়িত থাকে। তমঃ প্রবল হলে মন ভারী, অলস ও অজ্ঞানের আবরণে আচ্ছন্ন হয়। কিন্তু সত্ত্ব বৃদ্ধি পেলে মন ধীরে ধীরে শান্ত ও স্বচ্ছ হয়। তখন বাস্তবতাকে যেমন, তেমনভাবে দেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

আধ্যাত্মিক দৃষ্টিতে এই শ্লোকের শিক্ষা আরও গভীর। মানুষ যখন নিজের অন্তর্জগতের দিকে তাকাতে শুরু করে, তখন সে বুঝতে পারে যে তার অধিকাংশ দুঃখ বাইরের জগত থেকে যতটা আসে, তার চেয়ে অনেক বেশি আসে নিজের প্রতিক্রিয়া থেকে। কেউ অপমান করলে সঙ্গে সঙ্গে ক্রোধে বিস্ফোরিত হওয়া এক ধরনের প্রতিক্রিয়া। কিন্তু একই পরিস্থিতিতে কিছুক্ষণ থেমে নিজের মনকে দেখা এবং তারপর যথাযথ সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো সচেতনতার প্রকাশ। এই সচেতনতার বৃদ্ধি সত্ত্বের বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। সত্ত্ব মানুষকে প্রতিক্রিয়ার দাস না হয়ে বিবেকের আলোয় সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।

একজন শিক্ষার্থীর জীবনে এই শ্লোকের অর্থ হতে পারে জ্ঞানের প্রতি গভীর আকর্ষণ, মনোযোগ এবং সত্যকে জানার আগ্রহ। একজন শিক্ষকের ক্ষেত্রে এর প্রকাশ হতে পারে পক্ষপাতহীনভাবে জ্ঞান প্রদান করা। একজন কর্মজীবী মানুষের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে দায়িত্বের প্রতি নিষ্ঠা এবং অসৎ সুবিধা প্রত্যাখ্যান করার শক্তি। একজন পরিবারের সদস্যের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে রাগের পরিবর্তে বোঝাপড়া এবং স্বার্থের পরিবর্তে ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া। অর্থাৎ সত্ত্ব কোনো বিমূর্ত ধারণা নয়। মানুষের দৈনন্দিন আচরণে তার প্রকাশ ঘটে।

দার্শনিকভাবে এই শ্লোক আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য শেখায়। সত্ত্বগুণ জ্ঞানের প্রকাশ ঘটায় ঠিকই, কিন্তু সত্ত্ব নিজেই পরম আত্মা নয়। সত্ত্ব প্রকৃতির একটি গুণ। এটি মানুষের মন ও বুদ্ধিকে পরিশুদ্ধ করে এবং উচ্চতর উপলব্ধির উপযোগী করে তোলে। বেদান্তীয় দৃষ্টিতে আত্মা নিজেই চৈতন্যস্বরূপ। কিন্তু মন যখন অশান্ত ও অশুদ্ধ থাকে, তখন সেই চৈতন্যের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে প্রকাশিত হয় না। মন নির্মল হলে আত্মচৈতন্যের প্রতিফলন অধিক পরিষ্কার হয়ে ওঠে। তাই সত্ত্বকে এমন একটি স্বচ্ছ মাধ্যম হিসেবে দেখা যায় যার মধ্য দিয়ে চেতনার আলো অধিক স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।

এই শ্লোকের একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্যও রয়েছে। মানুষের মানসিক পরিপক্বতা তখনই বৃদ্ধি পায় যখন সে নিজের চিন্তা ও আবেগকে অন্ধভাবে অনুসরণ না করে তাদের পর্যবেক্ষণ করতে শেখে। রাগ এসেছে, কিন্তু আমি শুধু রাগ নই। ভয় এসেছে, কিন্তু আমি শুধু ভয় নই। আকাঙ্ক্ষা এসেছে, কিন্তু আমাকে সেই আকাঙ্ক্ষার নির্দেশেই কাজ করতে হবে এমন নয়। এই দূরত্ব সৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সচেতনতা জন্ম নেয়। আর সচেতনতা যত গভীর হয়, মানুষের সিদ্ধান্ত তত বেশি স্বাধীন ও বিবেচনাপূর্ণ হতে পারে। এই অবস্থাকেই শ্লোকের জ্ঞানপ্রকাশের আধুনিক মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

সাহিত্যিক দৃষ্টিতে সর্বদ্বারেষু দেহেহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে একটি অত্যন্ত সুন্দর আলোকচিত্র সৃষ্টি করে। মানুষের দেহ যেন একটি নগরী এবং ইন্দ্রিয়গুলো তার অসংখ্য দ্বার। সেই নগরীর কোথাও অন্ধকার, কোথাও আলো। যখন সত্ত্ব বৃদ্ধি পায় তখন একে একে সব দ্বারে আলো জ্বলে ওঠে। চোখে সত্যের আলো, কানে বিবেকের আলো, জিহ্বায় সংযমের আলো, মনে শান্তির আলো এবং বুদ্ধিতে বিচারের আলো প্রকাশিত হয়। তখন মানুষ কেবল বাইরের জগতকে দেখে না, নিজের অন্তর্জগতকেও দেখতে শেখে।

এই কারণেই শ্লোকটির শিক্ষা শুধু কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। যে কোনো মানুষ নিজের জীবনে এর প্রয়োগ করতে পারে। আমরা কী দেখি, কী শুনি, কী গ্রহণ করি, কীভাবে চিন্তা করি এবং কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাই, এগুলোর মধ্যেই আমাদের অন্তর্গত গুণের প্রকাশ ঘটে। একই পৃথিবীতে থেকেও একজন মানুষ অস্থিরতা, লোভ ও প্রতিযোগিতার মধ্যে ডুবে থাকতে পারে এবং অন্য একজন সেই একই পৃথিবীতে শান্তি, সত্য ও কল্যাণের সন্ধান করতে পারে। বাহ্যিক পৃথিবী একই থাকলেও অন্তরের আলো বদলে গেলে পৃথিবীকে দেখার দৃষ্টিও বদলে যায়।

সর্বশেষে বলা যায়, সর্বদ্বারেষু দেহেহস্মিন্ প্রকাশ উপজায়তে এই শ্লোক মানুষের অন্তরে জ্ঞানের সূর্যোদয়ের কথা বলে। যখন দেহের প্রতিটি দ্বার দিয়ে অজ্ঞানতার পরিবর্তে স্বচ্ছতা, বিভ্রান্তির পরিবর্তে বোধ, অস্থিরতার পরিবর্তে শান্তি এবং আসক্তির পরিবর্তে সত্যের প্রতি আকর্ষণ প্রকাশ পেতে থাকে, তখন বুঝতে হবে সত্ত্বগুণ বিকশিত হচ্ছে। এই জ্ঞান কেবল মস্তিষ্কের তথ্য নয়। এটি এমন এক আলো যা মানুষের দৃষ্টিকে পরিবর্তন করে, মনকে নির্মল করে, বুদ্ধিকে স্বচ্ছ করে এবং জীবনকে অধিক অর্থপূর্ণ করে তোলে। অন্ধকার ঘরে আলো জ্বাললে যেমন কোনো নতুন পৃথিবী সৃষ্টি হয় না, বরং যে পৃথিবী আগে থেকেই ছিল সেটিই স্পষ্ট হয়ে ওঠে, তেমনি সত্ত্বের বিকাশ মানুষের মধ্যে নতুন আত্মাকে সৃষ্টি করে না। বরং তার অন্তরে চিরদিন উপস্থিত সত্যকে উপলব্ধি করার ক্ষমতাকে নির্মল করে। এই কারণেই শ্লোকটি কেবল সত্ত্বগুণের সংজ্ঞা নয়, বরং মানুষের অন্তর্গত আলোর জাগরণের এক অনন্ত আহ্বান।

বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।

30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি

আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
এ প্রকাশিত: August 23, 2026 August 23, 2026

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি