ভগবদ্গীতা ১৪.১৮ — সত্ত্বগুণের ঊর্ধ্বগতি, রজোগুণের মধ্যাবস্থা ও তমোগুণের অধোগতি
ঊর্ধ্বং গচ্ছন্তি সত্ত্বস্থা মধ্যে তিষ্ঠন্তি রাজসাঃ।
জঘন্যগুণবৃত্তিস্থা অধো গচ্ছন্তি তামসাঃ।।১৮।।
অনুবাদঃ সত্ত্বগুণ-সম্পন্ন ব্যক্তিগণ ঊর্ধ্বে উচ্চতর লোকে গমন করে, রজোগুণ-সম্পন্ন ব্যক্তিগণ মধ্যে নরলোকে অবস্থান করে এবং জঘন্য গুণসম্পন্ন তামসিক ব্যক্তিগণ অধঃপতিত হয়ে নরকে হমন করে।
ভগবদ্গীতার চতুর্দশ অধ্যায়ের অষ্টাদশ শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মানুষের অন্তর্জীবনের এক গভীর সত্যকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালী ভাষায় প্রকাশ করেছেন। শ্লোকটি হলো ঊর্ধ্বং গচ্ছন্তি সত্ত্বস্থাঃ মধ্যে তিষ্ঠন্তি রাজসাঃ। জঘন্যগুণবৃত্তিস্থা অধো গচ্ছন্তি তামসাঃ।। এর সরল অর্থ হলো সত্ত্বগুণে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা ঊর্ধ্বগতি লাভ করেন, রজোগুণে প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা মধ্যাবস্থায় অবস্থান করেন এবং নিকৃষ্ট গুণের প্রবৃত্তিতে প্রতিষ্ঠিত তমোগুণী ব্যক্তিরা অধোগতি লাভ করেন। কিন্তু এই বক্তব্যকে কেবল বাহ্যিক উন্নতি বা অবনতির একটি সাধারণ ধারণা হিসেবে দেখলে শ্লোকটির প্রকৃত গভীরতা উপলব্ধি করা যায় না। এর অন্তরে রয়েছে মানুষের মন, চরিত্র, কর্ম, চেতনা এবং আধ্যাত্মিক বিকাশের একটি সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ।
শ্লোকের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদ ঊর্ধ্বং গচ্ছন্তি। ঊর্ধ্ব শব্দের অর্থ উপরে, উচ্চে বা উন্নত অবস্থায় এবং গচ্ছন্তি শব্দটি সংস্কৃত গম্ ধাতু থেকে এসেছে যার অর্থ যাওয়া বা অগ্রসর হওয়া। তাই ঊর্ধ্বং গচ্ছন্তি আক্ষরিক অর্থে উপরে যায় বা ঊর্ধ্বদিকে অগ্রসর হয়। কিন্তু গীতার দর্শনে এই ঊর্ধ্বগতি কেবল স্থান পরিবর্তন নয়। এটি চেতনার উন্নতির প্রতীক। মানুষ যখন অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের দিকে, অস্থিরতা থেকে শান্তির দিকে, স্বার্থপরতা থেকে কল্যাণবোধের দিকে এবং আসক্তি থেকে অনাসক্তির দিকে অগ্রসর হয় তখন তার অন্তর্জীবনে ঊর্ধ্বগতি ঘটে। এই কারণে ঊর্ধ্ব শব্দটি এখানে মানুষের বাহ্যিক মর্যাদার চেয়ে তার অন্তরের উচ্চতাকে বেশি নির্দেশ করে।
এরপর এসেছে সত্ত্বস্থাঃ শব্দটি। সত্ত্ব শব্দের মধ্যে সত্য, অস্তিত্ব, স্বচ্ছতা, পবিত্রতা, সাম্য এবং জ্ঞানের ভাব নিহিত রয়েছে। স্থ ধাতুর অর্থ দাঁড়ানো বা প্রতিষ্ঠিত থাকা। সেই অর্থে সত্ত্বস্থ ব্যক্তি হলেন যিনি সত্ত্বগুণে প্রতিষ্ঠিত। সত্ত্বগুণ মানুষের মনকে স্বচ্ছ করে এবং সত্য উপলব্ধির উপযোগী করে তোলে। যে মানুষের মধ্যে সত্ত্বের প্রাধান্য থাকে তার চিন্তায় স্বচ্ছতা, আচরণে সংযম, জীবনে শৃঙ্খলা এবং অন্যের কল্যাণের প্রতি আন্তরিকতা দেখা যায়। সে কর্ম করে কিন্তু কর্মের মধ্যে অন্ধ আসক্তি থাকে না। সে জ্ঞান অর্জন করতে চায় এবং নিজের অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করে। এই কারণেই গীতা সত্ত্বকে ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
শ্লোকের দ্বিতীয় অংশে বলা হয়েছে মধ্যে তিষ্ঠন্তি রাজসাঃ। মধ্যে অর্থ মধ্যবর্তী অবস্থায় এবং তিষ্ঠন্তি শব্দটি স্থা ধাতু থেকে এসেছে যার অর্থ অবস্থান করা বা স্থির থাকা। রাজসাঃ শব্দটি রজঃ থেকে এসেছে। রজঃ মানে গতি, কর্মপ্রবণতা, আকাঙ্ক্ষা, উত্তেজনা এবং পরিবর্তনের প্রবল তাগিদ। রাজসিক মানুষ নিষ্ক্রিয় নয়। বরং তার মধ্যে প্রচণ্ড কর্মশক্তি থাকে। সে কিছু অর্জন করতে চায়, নিজের অবস্থান উন্নত করতে চায়, প্রতিযোগিতা করতে চায় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা পরিকল্পনা করে। সভ্যতার বহুবিধ বাহ্যিক অগ্রগতির পেছনে এই কর্মশক্তিরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু রজঃ যখন জ্ঞান ও আত্মসংযম দ্বারা পরিচালিত হয় না তখন কর্মের সঙ্গে কামনা এবং ফলের প্রতি আসক্তি যুক্ত হয়ে যায়। ফলে মানুষ ক্রমাগত কাজ করেও অন্তরে শান্তি পায় না। সে অর্জনের পর আবার নতুন কিছু অর্জনের জন্য ছুটতে থাকে। এই কারণেই রজোগুণকে মধ্যবর্তী অবস্থানে রাখা হয়েছে।
রজোগুণকে তাই সরলভাবে খারাপ বলা যায় না। তমসের জড়তা থেকে মানুষকে কর্মের জগতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে রজঃ একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। একজন অলস মানুষ যখন কর্মপ্রবণ হয় তখন তার মধ্যে রজসিক শক্তির প্রকাশ ঘটে। কিন্তু রজঃ যদি কামনা, অহংকার এবং ফলপ্রত্যাশার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তবে সেটি মানুষকে বন্ধনের মধ্যে আবদ্ধ রাখে। ফলে রজঃ মানুষকে নিচের জড়তা থেকে উপরে তুলতে পারে, আবার অতিরিক্ত আকাঙ্ক্ষার কারণে তাকে অস্থিরতার মধ্যেও আটকে রাখতে পারে। এই দ্বৈত চরিত্রের কারণেই রজোগুণের প্রকৃত মূল্যায়নের জন্য শুধু বাহ্যিক কর্ম নয়, কর্মের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্যও দেখতে হয়।
শ্লোকের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো জঘন্যগুণবৃত্তিস্থা অধো গচ্ছন্তি তামসাঃ। জঘন্য অর্থ নিকৃষ্ট বা অধম, গুণ অর্থ প্রকৃতির গুণ এবং বৃত্তি অর্থ প্রবৃত্তি, মানসিক গতি বা আচরণের স্বাভাবিক ধারা। স্থিত অর্থ প্রতিষ্ঠিত বা অবস্থানকারী। এই সমগ্র ধারণাটি এমন মানুষের দিকে নির্দেশ করে যার চেতনা নিম্নগামী প্রবৃত্তির মধ্যে প্রতিষ্ঠিত। তামসাঃ শব্দটি তমঃ থেকে এসেছে এবং তমঃ অর্থ অন্ধকার। এখানে অন্ধকার বাহ্যিক আলোহীনতা নয়। এটি জ্ঞানহীনতা, চেতনার আচ্ছন্নতা, মোহ, জড়তা এবং সত্য উপলব্ধির অক্ষমতার প্রতীক।
তমোগুণের প্রভাবে মানুষ অনেক সময় নিজের প্রকৃত অবস্থাও বুঝতে পারে না। অলসতা, উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা, অতিরিক্ত মোহ, অজ্ঞতা এবং আত্মসংশোধনের প্রতি অনীহা তার মধ্যে প্রবল হতে পারে। তমসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এটি মানুষকে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তাই অনুভব করতে দেয় না। অন্ধকারে থাকা মানুষ যেমন নিজের পথ দেখতে পায় না তেমনি তমোগুণে আবৃত মানুষও নিজের চেতনার সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করতে পারে না। তাই অধোগতি প্রথমে বাহ্যিক জীবনে নয়, মানুষের চিন্তা ও চেতনার মধ্যেই শুরু হয়।
এই শ্লোককে মানুষের জীবনের একটি অন্তর্গত মানচিত্র হিসেবেও দেখা যায়। সত্ত্ব হলো আলো ও স্বচ্ছতার দিকে অগ্রসর হওয়া। রজঃ হলো কর্ম, আকাঙ্ক্ষা ও সংগ্রামের মধ্যবর্তী ক্ষেত্র। তমঃ হলো অন্ধকার, জড়তা এবং চেতনার সংকোচন। মানুষের মধ্যে এই তিন গুণই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মাত্রায় প্রকাশ পেতে পারে। একজন মানুষ সারাজীবন কেবল সত্ত্বগুণী বা কেবল রাজসিক কিংবা কেবল তামসিক অবস্থায় থাকে এমন নয়। তার চিন্তা, পরিবেশ, খাদ্য, কর্ম, সঙ্গ, অভ্যাস এবং মানসিক অবস্থার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে গুণের প্রাধান্যও পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে এই শ্লোক অন্যকে বিচার করার চেয়ে নিজেকে পর্যবেক্ষণ করার শিক্ষা দেয়।
দার্শনিক দৃষ্টিতে এই শ্লোকের গভীরতা আরও বিস্তৃত। মানুষ কোথায় যাচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তর তার বাহ্যিক অবস্থান দিয়ে নির্ধারিত হয় না। একজন ব্যক্তি বিপুল সম্পদের অধিকারী হয়েও চেতনার দিক থেকে তামসিক হতে পারেন। আবার একজন সাধারণ জীবনযাপনকারী মানুষ জ্ঞান, সংযম ও করুণার কারণে অন্তর্গতভাবে অত্যন্ত উচ্চ অবস্থায় থাকতে পারেন। তাই গীতার ঊর্ধ্বগতি মূলত অন্তরের গুণগত পরিবর্তনের কথা বলে। মানুষের প্রকৃত উন্নতি তার সম্পদ, ক্ষমতা বা সামাজিক মর্যাদায় নয়। তার প্রকৃত উন্নতি তার চেতনার স্বচ্ছতা, বিচারবোধ, আত্মসংযম এবং সত্য উপলব্ধির ক্ষমতায়।
এই শ্লোকের প্রতীকী অর্থও অত্যন্ত সুন্দর। ঊর্ধ্বগতি যেন আলো ও আকাশের দিকে ওঠা। মধ্যাবস্থা যেন পৃথিবীর কর্মময় ক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে থাকা। আর অধোগতি যেন অন্ধকারের গভীরে নিমজ্জিত হওয়া। আলো মানুষের সামনে পথ উন্মুক্ত করে, মধ্যবর্তী ভূমি মানুষকে কর্মের সুযোগ দেয় এবং অন্ধকার মানুষের দৃষ্টিকে আচ্ছন্ন করে। এই প্রতীকগুলো মানুষের অন্তর্জগতের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। জ্ঞান আলোয়ের মতো মানুষের সামনে সত্যকে প্রকাশ করে। কর্ম মানুষকে জগতের সঙ্গে যুক্ত রাখে। আর অজ্ঞতা মানুষকে নিজের প্রকৃত সত্তা থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।
বাস্তব জীবনের দিকে তাকালেও এই তিন গুণের প্রকাশ সহজেই দেখা যায়। একজন ছাত্র যদি জ্ঞান অর্জনের আনন্দে অধ্যয়ন করে, নিজের চরিত্র গঠন করে এবং সত্য জানার জন্য আন্তরিক হয় তবে তার মধ্যে সত্ত্বের প্রকাশ দেখা যায়। আরেকজন ছাত্র যদি কেবল পরীক্ষায় প্রথম হওয়া, প্রশংসা পাওয়া বা অন্যদের ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য পড়াশোনা করে তবে তার মধ্যে রজোগুণ প্রবল হতে পারে। আবার কেউ যদি পড়াশোনা, দায়িত্ব বা নিজের উন্নতির প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন হয়ে থাকে এবং অলসতা ও অজ্ঞতার মধ্যে নিজেকে আবদ্ধ রাখে তবে সেখানে তমসের প্রাধান্য দেখা যায়। একইভাবে কর্মক্ষেত্রেও একজন মানুষ জ্ঞান ও কর্তব্যবোধ নিয়ে কাজ করতে পারেন, কেউ কেবল পদোন্নতি ও অর্থের জন্য কাজ করতে পারেন এবং কেউ দায়িত্ব এড়িয়ে চলতে পারেন। মানুষের অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্য তার কর্মের প্রকৃত গুণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তবে গীতার সামগ্রিক দর্শনের আলোকে সত্ত্বকেও চূড়ান্ত গন্তব্য বলা যায় না। সত্ত্ব রজঃ ও তমঃ অপেক্ষা অধিক স্বচ্ছ এবং উন্নত হলেও সত্ত্বও প্রকৃতির একটি গুণ। সত্ত্ব জ্ঞান ও পবিত্রতার দিকে নিয়ে যায় এবং মানুষের চেতনাকে উচ্চতর অবস্থার জন্য প্রস্তুত করে। কিন্তু মুক্তির চূড়ান্ত উপলব্ধিতে মানুষকে তিন গুণের বন্ধনও অতিক্রম করতে হয়। তাই আধ্যাত্মিক যাত্রার একটি সুন্দর ধারাবাহিকতা হলো তমস থেকে রজসে ওঠা, রজসকে সত্ত্বে পরিশুদ্ধ করা এবং শেষ পর্যন্ত সত্ত্বসহ প্রকৃতির সব গুণের সীমা অতিক্রম করে আত্মস্বরূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়া।
এই কারণে শ্লোকটি কেবল একটি ধর্মীয় উপদেশ নয়। এটি মানুষের আত্মপর্যবেক্ষণের একটি গভীর পদ্ধতি। আমাদের নিজেদের কাছে প্রশ্ন করা দরকার আমাদের চিন্তাকে বর্তমানে কী চালিত করছে। আমরা কি জ্ঞান ও সত্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, নাকি কেবল আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিযোগিতার পেছনে ছুটছি। আমরা কি কর্মে সক্রিয় অথচ অন্তরে অস্থির, নাকি জড়তা ও উদাসীনতার মধ্যে আটকে আছি। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে পারলেই শ্লোকটির প্রকৃত শিক্ষা জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়।
সবশেষে বলা যায়, ঊর্ধ্বং গচ্ছন্তি সত্ত্বস্থাঃ মধ্যে তিষ্ঠন্তি রাজসাঃ। জঘন্যগুণবৃত্তিস্থা অধো গচ্ছন্তি তামসাঃ শ্লোকটি মানুষের চেতনার তিনটি মৌলিক গতিকে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ভাষায় প্রকাশ করেছে। সত্ত্ব মানুষের মধ্যে জ্ঞান, স্বচ্ছতা, পবিত্রতা ও শান্তির দ্বার খুলে দেয় এবং তাকে ঊর্ধ্বগতির দিকে নিয়ে যায়। রজঃ মানুষকে কর্ম, আকাঙ্ক্ষা ও অর্জনের জগতে সক্রিয় রাখে কিন্তু তাকে ফলের বন্ধনে আবদ্ধ করতে পারে। তমঃ মানুষের চেতনাকে অন্ধকার, জড়তা ও অজ্ঞতায় আচ্ছন্ন করে তাকে অধোগতির দিকে নিয়ে যায়। এখানে ঊর্ধ্ব ও অধঃ কেবল স্থান নির্দেশ করে না। এগুলো মানুষের অন্তর্গত বিকাশ ও অবনতির প্রতীক। এই শ্লোক তাই আমাদের অন্য মানুষকে বিচার করার জন্য নয়, নিজেদের অন্তরকে চিনতে শেখায়। মানুষের সত্যিকারের যাত্রা বাইরের জগতের উচ্চতা অর্জনের মধ্যে নয় বরং নিজের চেতনার অন্ধকার দূর করে জ্ঞানের আলোয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মধ্যে। যে মানুষ নিজের তমসকে অতিক্রম করে, রজসকে শুদ্ধ করে, সত্ত্বকে বিকশিত করে এবং শেষ পর্যন্ত গুণের সীমাও অতিক্রম করার সাধনা করে, তার জীবনই প্রকৃত অর্থে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে।:
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!