ভগবদ্গীতা ১৭.৩ — শ্রদ্ধা অনুযায়ী মানুষের পরিচয়, স্বভাব ও চরিত্রের গভীর তত্ত্ব
সত্ত্বানুরূপা সর্বস্য শ্রদ্ধা ভবতি ভারত।
শ্রদ্ধাময়োহয়ং পুরুষো যো যচ্ছ্রদ্ধঃ স এব সঃ।।৩।।
অনুবাদঃ হে ভারত! সকলের শ্রদ্ধা নিজ-নিজ অন্তঃকরণের অনুরূপ হয়। যে যেই রকম গুণের প্রতি শ্রদ্ধাযুক্ত, সে সেই রকম শ্রদ্ধাবান।
ভগবদ্গীতার সপ্তদশ অধ্যায়ের তৃতীয় শ্লোকে শ্রীকৃষ্ণ মানুষের অন্তর্জগৎ ও তার জীবনচর্যার একটি গভীর সত্য প্রকাশ করেছেন। তিনি অর্জুনকে বলেন, সত্ত্বানুরূপা সর্বস্য শ্রদ্ধা ভবতি ভারত, শ্রদ্ধাময়োহয়ং পুরুষো যো যচ্ছ্রদ্ধঃ স এব সঃ। অর্থাৎ হে ভারত, প্রত্যেক মানুষের শ্রদ্ধা তার অন্তঃপ্রকৃতির অনুরূপ হয়ে থাকে। মানুষ শ্রদ্ধাময়। যার যে শ্রদ্ধা, সে মূলত সেই রূপেরই হয়ে ওঠে। এই সংক্ষিপ্ত বাণীর মধ্যে মানুষের স্বভাব, বিশ্বাস, মূল্যবোধ, চরিত্র, কর্ম এবং আত্মপরিচয়ের এক গভীর দর্শন নিহিত রয়েছে।
এই শ্লোকের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ সত্ত্বানুরূপা। সত্ত্ব শব্দের মূলের মধ্যে অস্তিত্ব, সত্তা এবং স্বভাবের ধারণা নিহিত রয়েছে। গীতার বৃহত্তর দর্শনে সত্ত্ব প্রকৃতির একটি গুণ হলেও এখানে সত্ত্বানুরূপা শব্দকে কেবল সত্ত্বগুণের অনুরূপ অর্থে সীমাবদ্ধ করলে শ্লোকটির ব্যাপ্তি সংকুচিত হয়ে যায়। এখানে মানুষের অন্তঃপ্রকৃতি, মানসিক প্রবণতা, চেতনার গঠন এবং স্বভাবের সঙ্গে শ্রদ্ধার সামঞ্জস্য বোঝানো হয়েছে। মানুষের ভিতরে যেমন প্রবণতা থাকে, তার শ্রদ্ধার বিষয়ও অনেক সময় তেমনই হয়ে ওঠে। যে মন জ্ঞান, সত্য ও পবিত্রতার প্রতি আকৃষ্ট, তার শ্রদ্ধাও সেই দিকে প্রবাহিত হয়। যে মন ভোগ, ক্ষমতা, খ্যাতি ও বাহ্যিক সাফল্যের প্রতি অধিক আকৃষ্ট, তার শ্রদ্ধার প্রকৃতিও সেই অনুসারে গড়ে ওঠে।
শ্রদ্ধা শব্দটি এই শ্লোকের প্রাণকেন্দ্র। সাধারণভাবে শ্রদ্ধা বলতে বিশ্বাস, সম্মান বা ভক্তিপূর্ণ আস্থা বোঝানো হয়। কিন্তু গীতার পরিপ্রেক্ষিতে শ্রদ্ধা তার চেয়েও গভীর একটি ধারণা। শ্রদ্ধা হলো এমন এক অন্তর্গত আস্থা যার উপর মানুষ নিজের চিন্তা ও জীবনকে প্রতিষ্ঠিত করে। মানুষ শুধু কোনো বিষয়কে সত্য বলে জানলেই তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয় না। যখন কোনো আদর্শ তার হৃদয়ের মধ্যে মূল্যবান হয়ে ওঠে এবং সে তার জীবনকে সেই আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে শুরু করে, তখন সেখানে প্রকৃত শ্রদ্ধার জন্ম হয়। তাই শ্রদ্ধা কেবল মানসিক বিশ্বাস নয়। এটি মানুষের জীবন পরিচালনার একটি অন্তর্নিহিত শক্তি।
শ্রদ্ধা শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত ব্যাখ্যাতেও এই গভীরতা লক্ষ করা যায়। শ্রদ্ধার সঙ্গে ধা ধাতুর সম্পর্ক ধরা হয়, যার অর্থ স্থাপন করা, রাখা বা স্থির করা। এই অর্থের আলোকে শ্রদ্ধা হলো চিত্তকে কোনো সত্য, আদর্শ বা মূল্যবোধের মধ্যে স্থাপন করা। মানুষ যার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা অনুভব করে, তার চিন্তা সেখানে স্থির হতে থাকে, তার কর্ম সেই দিকে পরিচালিত হয় এবং তার জীবন ধীরে ধীরে সেই মূল্যবোধের প্রতিফলন হয়ে ওঠে। এই কারণেই শ্রীকৃষ্ণ বলেন শ্রদ্ধাময়োহয়ং পুরুষঃ। মানুষ শ্রদ্ধাময় অর্থাৎ মানুষের ব্যক্তিত্বের গভীরে শ্রদ্ধা একটি নির্মাণশক্তি হিসেবে কাজ করে।
মানুষের বাহ্যিক পরিচয় অনেক রকম হতে পারে। কেউ শিক্ষক, কেউ ব্যবসায়ী, কেউ কৃষক, কেউ শিল্পী, কেউ রাজনীতিবিদ, কেউ সাধক। কিন্তু এগুলো মানুষের সম্পূর্ণ পরিচয় নয়। একজন মানুষ আসলে কীকে মূল্যবান মনে করেন, কোন সত্যের সামনে তিনি মাথা নত করেন, কোন আদর্শের জন্য ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত হন এবং কোন বিষয়কে জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেন, তার মধ্যেই তার গভীরতম পরিচয় প্রকাশিত হয়। এই কারণেই গীতার বাণী অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার বাহ্যিক অবস্থানে যতটা প্রকাশিত হয়, তার চেয়েও বেশি প্রকাশিত হয় তার শ্রদ্ধার মধ্যে।
শ্রীকৃষ্ণ যখন বলেন যো যচ্ছ্রদ্ধঃ স এব সঃ, তখন তিনি মানুষের জীবন সম্পর্কে এক অসাধারণ সত্য তুলে ধরেন। মানুষ তার গভীর বিশ্বাসের মতো হয়ে ওঠে। যে ব্যক্তি সত্যকে শ্রদ্ধা করে, তার জীবন সত্যনিষ্ঠতার দিকে এগোতে থাকে। যে ব্যক্তি জ্ঞানকে শ্রদ্ধা করে, তার মধ্যে জ্ঞান অনুসন্ধানের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। যে ব্যক্তি মানবতাকে শ্রদ্ধা করে, তার আচরণে সহমর্মিতা ও করুণা প্রকাশ পেতে থাকে। আবার যে ব্যক্তি সম্পদ, ক্ষমতা, ভোগ বা খ্যাতিকে জীবনের সর্বোচ্চ মূল্য বলে গ্রহণ করে, তার চিন্তা ও কর্মও ধীরে ধীরে সেই বিষয়গুলোর চারপাশে আবর্তিত হতে থাকে। মানুষ যে বিষয়কে হৃদয়ের গভীরে স্থান দেয়, একসময় তার জীবন সেই বিষয়টিরই প্রকাশ হয়ে ওঠে।
এই দৃষ্টিতে শ্রদ্ধা মানুষের জীবনের অন্তর্গত দিকনির্দেশক শক্তি। একটি কম্পাস যেমন পথিককে একটি নির্দিষ্ট দিকে নির্দেশ করে, শ্রদ্ধাও মানুষের জীবনশক্তিকে একটি নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত করে। মানুষ তার সময়, শ্রম, মনোযোগ এবং ভালোবাসা সেই বিষয়েই অধিক ব্যয় করে যাকে সে সত্যিকার অর্থে মূল্যবান মনে করে। তাই মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে হলে শুধু বাহ্যিক আচরণ পরিবর্তন করাই যথেষ্ট নয়। তার গভীর বিশ্বাস, মূল্যবোধ এবং শ্রদ্ধার বিষয়কেও পরীক্ষা করতে হয়। কারণ আচরণের পেছনে থাকে বিশ্বাস, বিশ্বাসের পেছনে থাকে মূল্যবোধ এবং মূল্যবোধের কেন্দ্রে থাকে শ্রদ্ধা।
গীতার এই শিক্ষা মানুষের আত্মপর্যবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথও নির্দেশ করে। আমরা প্রায়ই নিজেদের কাজ নিয়ে প্রশ্ন করি, কিন্তু নিজেদের শ্রদ্ধার বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করি না। আমরা জানতে চাই আমরা কী করছি, কিন্তু খুব কম সময় জানতে চাই কেন করছি। আমরা জানতে চাই কী অর্জন করতে চাই, কিন্তু সবসময় ভেবে দেখি না কেন সেই অর্জনকে মূল্যবান মনে করছি। অথচ এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের অন্তঃপ্রকৃতিকে প্রকাশ করে। একজন মানুষ যদি নিজের শ্রদ্ধার বিষয়গুলোকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারে, তাহলে সে নিজের চরিত্রের প্রকৃতি সম্পর্কেও অনেক কিছু জানতে পারে।
গীতার সপ্তদশ অধ্যায়ের বৃহত্তর আলোচনায় শ্রদ্ধা মানুষের প্রকৃতির তিন গুণের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়ে ওঠে। সত্ত্বপ্রধান মানুষের শ্রদ্ধা সাধারণত সত্য, জ্ঞান, পবিত্রতা ও কল্যাণের দিকে প্রবাহিত হয়। রজঃপ্রধান মানুষের শ্রদ্ধা অধিকতর আকাঙ্ক্ষা, সাফল্য, ক্ষমতা ও ফলপ্রাপ্তির দিকে ঝুঁকতে পারে। তমঃপ্রধান অবস্থায় শ্রদ্ধা অজ্ঞানতা, বিভ্রান্তি ও অনুপযুক্ত বিষয়ের দিকে প্রবাহিত হতে পারে। এর মাধ্যমে গীতা বোঝাতে চায় যে সব শ্রদ্ধা একই প্রকৃতির নয়। শ্রদ্ধার গুণও মানুষের চেতনার গুণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
তবে এখানে একটি সূক্ষ্ম বিষয় লক্ষণীয়। গীতার বক্তব্য মানুষের বর্তমান অবস্থাকে চিরস্থায়ী বলে ঘোষণা করে না। মানুষের অন্তঃপ্রকৃতি পরিবর্তনশীল এবং সাধনা, জ্ঞান, সৎকর্ম ও আত্মসচেতনতার মাধ্যমে মানুষের চেতনার পরিশুদ্ধি সম্ভব। তাই নিজের শ্রদ্ধাকে পর্যবেক্ষণ করা মানে নিজেকে বিচার করে থেমে যাওয়া নয়। বরং নিজের অন্তরের প্রবণতাকে চিনে তাকে আরও উচ্চতর সত্যের দিকে পরিচালিত করা। এই জায়গাতেই শ্লোকটি আত্মশুদ্ধির একটি পথনির্দেশে পরিণত হয়।
দার্শনিক দৃষ্টিতে এই শ্লোক মানুষের পরিচয় নির্মাণের একটি গভীর সূত্র প্রদান করে। মানুষ যা চিন্তা করে, তার প্রভাব তার আচরণে পড়ে। যে বিষয়কে সে মূল্যবান মনে করে, তার প্রতি তার আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়। যে আদর্শকে সে শ্রদ্ধা করে, তার অনুকরণ করার প্রবণতা জন্ম নেয়। দীর্ঘদিনের সেই চিন্তা ও কর্ম তার চরিত্র গঠন করে। ফলে শ্রদ্ধা থেকে কর্ম, কর্ম থেকে অভ্যাস, অভ্যাস থেকে চরিত্র এবং চরিত্র থেকে জীবনপথ নির্মিত হয়। এই ধারায় মানুষের জীবন তার অন্তর্গত বিশ্বাসের বহিঃপ্রকাশ হয়ে ওঠে।
মনস্তাত্ত্বিক অর্থেও এই শিক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মানুষের গভীর বিশ্বাস তার মনোযোগ, সিদ্ধান্ত ও আচরণকে প্রভাবিত করে। কেউ যদি বিশ্বাস করে যে জীবনের সর্বোচ্চ মূল্য কেবল বাহ্যিক সাফল্য, তাহলে তার চিন্তা ক্রমশ সাফল্য ও প্রতিযোগিতার চারপাশে আবর্তিত হতে পারে। অন্যদিকে কেউ যদি জ্ঞান, সত্য ও মানবকল্যাণকে জীবনের মূল্য হিসেবে গ্রহণ করে, তাহলে তার জীবন সেই মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের কোনো নির্দিষ্ট তত্ত্ব হিসেবে গীতার এই বক্তব্যকে উপস্থাপন করা উচিত নয়, কিন্তু মানুষের গভীর বিশ্বাস যে তার আচরণকে প্রভাবিত করে, সেই সাধারণ সত্যের সঙ্গে শ্লোকটির একটি গভীর সামঞ্জস্য রয়েছে।
সাহিত্যিক ও প্রতীকী অর্থেও শ্রদ্ধা একটি শক্তিশালী প্রতীক। শ্রদ্ধা মানুষের অন্তরের দিকনির্দেশের প্রতীক। এটি এমন একটি আয়নার মতো যার মধ্যে মানুষের প্রকৃত মূল্যবোধ প্রতিফলিত হয়। একজন চরিত্রকে বুঝতে হলে শুধু সে কী করছে তা দেখলেই হয় না, সে কাকে শ্রদ্ধা করে এবং কোন আদর্শকে অনুসরণ করে সেটিও দেখতে হয়। কারণ তার শ্রদ্ধার বিষয় তার চরিত্রের অন্তর্গত কেন্দ্রকে প্রকাশ করে। আধ্যাত্মিক অর্থে শ্রদ্ধা আবার সাধনার বীজ। মানুষ যে সত্যকে শ্রদ্ধা করে, তার দিকে মন নিবদ্ধ করে এবং সেই সত্যকে উপলব্ধি করার জন্য জীবনকে পরিচালিত করে।
বাস্তব জীবনের একটি সাধারণ উদাহরণ এই বিষয়টিকে আরও পরিষ্কার করে। একজন ছাত্র যদি সত্যিকার অর্থে জ্ঞানকে শ্রদ্ধা করে, তাহলে তার কাছে শিক্ষা কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল করার উপায় থাকবে না। সে জানতে চাইবে, বুঝতে চাইবে এবং সত্য অনুসন্ধান করতে চাইবে। একজন শিক্ষক যদি শিক্ষার্থীর কল্যাণ ও সত্যকে শ্রদ্ধা করেন, তাহলে তার শিক্ষকতা শুধু জীবিকা থাকবে না, তা এক ধরনের সাধনায় পরিণত হতে পারে। আবার একজন ব্যক্তি যদি কেবল অর্থ ও সামাজিক মর্যাদাকেই জীবনের শ্রেষ্ঠ মূল্য মনে করেন, তাহলে তার সিদ্ধান্ত ও সম্পর্কের মধ্যেও সেই মূল্যবোধের প্রভাব দেখা যেতে পারে। এইভাবেই মানুষের শ্রদ্ধা ধীরে ধীরে তার জীবনের ভাষা হয়ে ওঠে।
এই শ্লোক তাই আমাদের অন্যকে বিচার করার আগে নিজেকে দেখার শিক্ষা দেয়। আমাদের নিজেদের কাছে প্রশ্ন করা প্রয়োজন আমরা আসলে কীকে শ্রদ্ধা করি। আমরা কি সত্যকে শ্রদ্ধা করি, নাকি সুবিধাকে। আমরা কি জ্ঞানকে শ্রদ্ধা করি, নাকি শুধু জ্ঞানের বাহ্যিক মর্যাদাকে। আমরা কি মানবতাকে শ্রদ্ধা করি, নাকি নিজের স্বার্থকে সর্বোচ্চ স্থান দিই। আমরা কি আত্মসত্যকে অনুসন্ধান করি, নাকি বাহ্যিক পরিচয়ের মধ্যেই নিজের অস্তিত্ব খুঁজে ফিরি। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমাদের নিজের জীবনকে নতুনভাবে দেখতে সাহায্য করতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, ভগবদ্গীতার এই শ্লোক মানুষের অন্তর্জীবনের এক চিরন্তন সত্যকে প্রকাশ করে। মানুষের শ্রদ্ধা তার অন্তঃপ্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত এবং সেই শ্রদ্ধাই ধীরে ধীরে তার চিন্তা, কর্ম, চরিত্র ও জীবনকে গঠন করে। মানুষ তার গভীরতম বিশ্বাস থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো সত্তা নয়। সে যা সত্য বলে গ্রহণ করে, যা মূল্যবান বলে মনে করে এবং যার প্রতি অন্তর সমর্পণ করে, তার জীবন ক্রমশ সেই সত্যেরই প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। তাই শ্রীকৃষ্ণের বাণী শুধু শ্রদ্ধার মাহাত্ম্য ঘোষণা করে না, বরং আমাদের নিজের শ্রদ্ধাকে বিশুদ্ধ ও উচ্চতর করার আহ্বান জানায়। কারণ মানুষ শেষ পর্যন্ত তার বাহ্যিক পরিচয়ের চেয়েও বেশি কিছু। মানুষ তার অন্তরের সেই গভীর বিশ্বাসের জীবন্ত প্রকাশ, যার সামনে সে নীরবে মাথা নত করে এবং যার দিকে তার সমগ্র জীবন অগ্রসর হয়।
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!