সম্পর্কিত

শেয়ার করুন

ভগবদ্গীতা ৭.১১ | কামরাগবর্জিত শক্তি ও ধর্মসম্মত কামনার মধ্যে ঈশ্বরের প্রকাশ

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
তারিখে পোস্ট করা হয়েছে
বলং বলবতাং চাহং কামরাগবিবর্জিতম্।ধর্মাবিরুদ্ধো ভুতেষু কামোহস্মি ভরতর্ষভ।।১১।।
বলং বলবতাং চাহং কামরাগবিবর্জিতম্।
ধর্মাবিরুদ্ধো ভুতেষু কামোহস্মি ভরতর্ষভ।।১১।।

অনুবাদঃ হে ভরতর্ষভ! আমি বলবানের কাম ও রাগ বিবর্জিত বল এবং ধর্মের অবিরোধী কামরূপে আমি প্রাণীগণের মধ্যে বিরাজমান।

এর সহজ অর্থ হলো, হে ভরতশ্রেষ্ঠ, শক্তিমানদের মধ্যে যে শক্তি কামনা ও আসক্তি থেকে মুক্ত, আমি সেই শক্তি। আর সকল জীবের মধ্যে যে কামনা ধর্মের বিরোধী নয়, আমিই সেই কামনা।

এই শ্লোকের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো বলম্। সংস্কৃত বল শব্দের অর্থ শক্তি, সামর্থ্য, ক্ষমতা, দৃঢ়তা এবং কোনো কাজ সম্পাদনের সক্ষমতা। তবে এখানে বল বলতে কেবল দেহের পেশিশক্তি বোঝানো হয়নি। মানুষের সাহস, মানসিক দৃঢ়তা, আত্মসংযম, প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষমতা, কর্তব্য পালন করার সামর্থ্য এবং ন্যায়ের পথে অটল থাকার শক্তিও এর অন্তর্ভুক্ত। শ্রীকৃষ্ণ তাই শক্তির বাহ্যিক প্রকাশের চেয়ে তার অন্তর্নিহিত গুণের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

বলবতাম্ শব্দের অর্থ শক্তিমানদের। কিন্তু কৃষ্ণ বলেননি যে শক্তিমান ব্যক্তি মাত্রই ঈশ্বরের প্রকাশ। তিনি বলেছেন শক্তিমানদের যে বিশুদ্ধ শক্তি রয়েছে, সেই শক্তি তিনি। এর মধ্যে একটি গভীর পার্থক্য রয়েছে। কোনো মানুষের হাতে ক্ষমতা থাকলেই সেই ক্ষমতা পবিত্র হয়ে যায় না। শক্তি যদি অহংকার, হিংসা, লোভ, প্রতিশোধ কিংবা অন্যায়ের কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে তা মানুষের পতনের কারণ হতে পারে। কিন্তু একই শক্তি যদি ন্যায় প্রতিষ্ঠা, দুর্বলকে রক্ষা, সত্যকে ধারণ এবং কল্যাণ সাধনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তখন সেই শক্তি ঈশ্বরীয়তার প্রকাশ হয়ে ওঠে।

চাহম্ শব্দটি চ এবং অহম্ এর সন্ধিবদ্ধ রূপ। এর অর্থ এবং আমি। এখানে কৃষ্ণ নিজের ব্যক্তিগত কোনো শক্তির কথা বলছেন না। তিনি বিশ্বজগতের মধ্যে প্রকাশিত শক্তির গভীর উৎসের কথা বলছেন। মানুষ সাধারণত মনে করে তার শক্তি তার নিজের। সে বলে আমি করেছি, আমি জয় করেছি, আমি সৃষ্টি করেছি। কিন্তু গীতার দৃষ্টিতে মানুষের মধ্যকার প্রতিভা, সাহস, বুদ্ধি ও শক্তি পরম সত্তার একটি প্রকাশমাত্র। মানুষ সেই শক্তির ধারক হতে পারে, কিন্তু তার চূড়ান্ত উৎস নয়। এই উপলব্ধি মানুষের অহংকারকে বিনয়ের দিকে নিয়ে যায়।

এরপর আসে কামরাগবিবর্জিতম্ শব্দটি। কাম অর্থ ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা এবং রাগ অর্থ আসক্তি বা কোনো বিষয়ের প্রতি গভীরভাবে লেগে থাকা। বিবর্জিত অর্থ মুক্ত বা বর্জিত। ফলে কামরাগবিবর্জিতম্ এর অর্থ হলো কামনা ও আসক্তি থেকে মুক্ত শক্তি। এই অংশটি শ্লোকটির অন্যতম গভীর শিক্ষা বহন করে। কৃষ্ণ শক্তিকে অস্বীকার করেননি। বরং তিনি এমন শক্তির কথা বলেছেন যা ব্যক্তিগত লোভ এবং আসক্তির দ্বারা পরিচালিত নয়।

একজন মানুষের শক্তি তখনই প্রকৃত অর্থে মহৎ হয়ে ওঠে যখন সে নিজের শক্তিকে নিজের স্বার্থের দাস বানায় না। একজন চিকিৎসকের জ্ঞান ও দক্ষতা যদি মানুষের জীবন রক্ষায় ব্যবহৃত হয়, একজন বিচারকের ক্ষমতা যদি ন্যায় প্রতিষ্ঠায় ব্যবহৃত হয় এবং একজন নেতার ক্ষমতা যদি মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, তবে সেই শক্তির মধ্যে স্বার্থের অন্ধতা নেই। সেখানে শক্তি আছে, কিন্তু শক্তির সঙ্গে অহংকারের বন্ধন নেই। গীতার ভাষায় এটিই কাম ও রাগ থেকে মুক্ত শক্তি।

শ্লোকটির দ্বিতীয় অংশ আরও সূক্ষ্ম। এখানে কৃষ্ণ বলেছেন ধর্মাবিরুদ্ধো ভূতেষু কামোহস্মি। ধর্মাবিরুদ্ধ অর্থ ধর্মের বিরোধী নয় এবং ভূতেষু অর্থ সকল জীবের মধ্যে। কামোহস্মি হলো কামঃ এবং অস্মি এর সন্ধিবদ্ধ রূপ। এর অর্থ আমি কামনা। কিন্তু এখানে কৃষ্ণ সব ধরনের কামনাকে নিজের সঙ্গে এক করে দেখাননি। তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত দিয়েছেন। যে কামনা ধর্মের বিরোধী নয়, সেই কামনাই তিনি।

ধর্ম শব্দটির অর্থ কেবল ধর্মীয় আচার বা কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের বিশ্বাস নয়। সংস্কৃত ধর্ম শব্দের মধ্যে ধারণ করার শক্তি, নৈতিকতা, কর্তব্য, ন্যায়, শৃঙ্খলা এবং জীবনের স্বাভাবিক ও সঠিক পথের ধারণা রয়েছে। যে নীতি ব্যক্তি, সমাজ এবং বিশ্বজীবনের সামঞ্জস্য রক্ষা করে, গীতার বিস্তৃত অর্থে সেটিই ধর্ম। তাই ধর্মাবিরুদ্ধ কামনা বলতে এমন আকাঙ্ক্ষাকে বোঝানো হয়েছে যা মানুষের স্বাভাবিক জীবনপ্রবাহ ও নৈতিকতার বিরোধী নয়।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কামনা নিজে সবসময় নেতিবাচক নয়। মানুষের জ্ঞান অর্জনের ইচ্ছা আছে, সত্য জানার আকাঙ্ক্ষা আছে, সৃষ্টিশীল হওয়ার তাগিদ আছে, পরিবার গঠনের ইচ্ছা আছে এবং নিজের জীবনকে উন্নত করার আকাঙ্ক্ষা আছে। এসব আকাঙ্ক্ষা যদি ন্যায় ও কল্যাণের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তবে তা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সমস্যা তখনই সৃষ্টি হয় যখন আকাঙ্ক্ষা মানুষের উপর কর্তৃত্ব করতে শুরু করে এবং মানুষ বলে আমি এটি চাই, তাই যেভাবেই হোক আমাকে এটি পেতেই হবে। তখন কামনা আসক্তিতে পরিণত হয় এবং আসক্তি মানুষকে স্বাধীনতার পরিবর্তে বন্ধনের দিকে নিয়ে যায়।

এই কারণে কাম এবং কামরাগের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য রয়েছে। কাম হলো কোনো কিছু পাওয়ার ইচ্ছা। রাগ হলো সেই ইচ্ছার সঙ্গে মনের এমনভাবে জড়িয়ে পড়া যেখানে আকাঙ্ক্ষিত বস্তুটি না পেলে মানুষ নিজের শান্তি হারিয়ে ফেলে। একজন ব্যক্তি জ্ঞান অর্জন করতে চাইতে পারে। এটি একটি কামনা। কিন্তু যদি সে জ্ঞানকে ব্যবহার করে অন্যদের ছোট করতে শুরু করে এবং নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করাই তার প্রধান উদ্দেশ্য হয়ে যায়, তখন সেই কামনার সঙ্গে রাগ বা আসক্তি যুক্ত হয়। গীতা কামনাকে অন্ধভাবে ধ্বংস করতে বলছে না। বরং কামনাকে ধর্মের অধীন করতে বলছে।

এই শ্লোকের দার্শনিক তাৎপর্যও গভীর। বেদান্তের দৃষ্টিতে জগতের সমস্ত শক্তি এবং প্রকাশের চূড়ান্ত ভিত্তি পরম সত্তা। মানুষের মধ্যে যে বুদ্ধি, সাহস, প্রতিভা ও কর্মক্ষমতা প্রকাশিত হয়, তা সেই পরম শক্তিরই বিভিন্ন প্রকাশ। তাই শক্তিমান মানুষ যদি সত্যিই নিজের শক্তির উৎস উপলব্ধি করতে পারে, তবে তার মধ্যে অহংকারের পরিবর্তে কৃতজ্ঞতা জন্মায়। সে বুঝতে পারে যে শক্তি তার মাধ্যমে প্রকাশিত হলেও শক্তির চূড়ান্ত উৎস তার ব্যক্তিগত অহং নয়।

ভক্তির দৃষ্টিতে এই উপলব্ধি আরও সুন্দর। একজন ভক্ত যখন কোনো অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষকে দেখে, তখন সে শুধু মানুষটির ব্যক্তিগত কৃতিত্ব দেখে না। সে সেই প্রতিভার মধ্যেও ঈশ্বরের আলো অনুভব করার চেষ্টা করে। কোনো মহান শিল্পীর সৃষ্টিশীলতা, কোনো জ্ঞানীর প্রজ্ঞা, কোনো সাহসী মানুষের নির্ভীকতা কিংবা কোনো মায়ের সন্তানের প্রতি গভীর ভালোবাসা তাকে পরম শক্তির বিভিন্ন প্রকাশের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে পারে।

যোগের দৃষ্টিতেও এই শ্লোক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাহ্যিক শক্তি থাকা এবং প্রকৃত অর্থে শক্তিমান হওয়া এক বিষয় নয়। যে ব্যক্তি অন্যকে পরাজিত করতে পারে কিন্তু নিজের ক্রোধকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে বাহ্যিকভাবে শক্তিশালী হলেও অন্তরে দুর্বল। অন্যদিকে যে ব্যক্তি নিজের লোভ, ভয়, ক্রোধ এবং অস্থির আকাঙ্ক্ষাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তার মধ্যে এক গভীর শক্তি জন্মায়। তাই আত্মসংযম নিজেই এক ধরনের মহাশক্তি। কামরাগবিবর্জিত শক্তির ধারণা সেই অন্তর্নিহিত শক্তির দিকেই ইঙ্গিত করে।

এই সত্যকে আগুনের উপমা দিয়ে বোঝা যায়। আগুন নিজে শক্তির প্রতীক। সেই আগুন দিয়ে রান্না করা যায়, শীত দূর করা যায় এবং নানা সৃষ্টিশীল কাজে ব্যবহার করা যায়। আবার একই আগুন নিয়ন্ত্রণহীন হলে ধ্বংসও ঘটাতে পারে। শক্তির ক্ষেত্রেও একই সত্য প্রযোজ্য। শক্তির মূল্য শুধু তার পরিমাণে নয়, তার উদ্দেশ্য এবং ব্যবহারের মধ্যে নিহিত। ধর্মের অধীন শক্তি রক্ষা করতে পারে, কিন্তু অধর্মের অধীন শক্তি ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।

মানুষের জীবনে কামনার ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য। একজন বাবা চান তার সন্তান ভালো মানুষ হোক। এটি স্বাভাবিক এবং সুন্দর আকাঙ্ক্ষা। কিন্তু যদি সেই আকাঙ্ক্ষা এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে সন্তানকে যেকোনো মূল্যে অন্য সবার চেয়ে শ্রেষ্ঠ হতে হবে, তখন সেই কামনার সঙ্গে অহংকার ও আসক্তি যুক্ত হতে পারে। একইভাবে একজন শিক্ষার্থী জ্ঞান অর্জন করতে চাইলে সেই আকাঙ্ক্ষা তাকে উন্নত করে। কিন্তু যদি জ্ঞান অর্জনের একমাত্র উদ্দেশ্য হয় অন্যদের হেয় করে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করা, তখন জ্ঞানও অহংকারের উপকরণ হয়ে যেতে পারে।

আধুনিক জীবনের ক্ষেত্রেও এই শ্লোকের শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। ব্যবসায় অর্থ উপার্জনের ইচ্ছা স্বাভাবিক, কিন্তু প্রতারণা করে অর্থ উপার্জন ধর্মসম্মত নয়। কর্মজীবনে উন্নতির আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক, কিন্তু অন্যের ক্ষতি করে নিজের উন্নতি করা ন্যায়ের পথ নয়। নেতৃত্বে ক্ষমতা থাকা অপরাধ নয়, কিন্তু ক্ষমতাকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করা বিপজ্জনক। সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা স্বাভাবিক, কিন্তু ভালোবাসাকে অধিকারবোধে পরিণত করলে তা আসক্তিতে পরিণত হয়। অর্থাৎ গীতার শিক্ষা মানুষের ইচ্ছা এবং শক্তিকে ধ্বংস করা নয়, বরং তাদের শুদ্ধ ও সুশৃঙ্খল করা।

এই শ্লোকের গভীরে মানুষের স্বাধীনতার একটি ধারণাও রয়েছে। প্রকৃত স্বাধীনতা মানে নিজের প্রতিটি ইচ্ছা পূরণ করার ক্ষমতা নয়। প্রকৃত স্বাধীনতা হলো ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছার দাস না হওয়া। শক্তি থাকা সত্ত্বেও শক্তির অহংকারে আবদ্ধ না হওয়া। সাফল্য অর্জন করেও সাফল্যকে নিজের সম্পূর্ণ পরিচয় না বানানো। সম্পদ থাকা সত্ত্বেও সম্পদের দ্বারা পরিচালিত না হওয়া। এই অন্তর্গত স্বাধীনতার পথেই গীতার কর্মযোগ, আত্মসংযম এবং ঈশ্বরচেতনা একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

সবশেষে বলা যায়, বলং বলবতাং চাহং কামরাগবিবর্জিতম্ এবং ধর্মাবিরুদ্ধো ভূতেষু কামোহস্মি এই দুটি অংশ একত্রে মানুষের জীবনের একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক দর্শন নির্মাণ করে। একদিকে মানুষকে শক্তিমান হতে বলা হয়েছে, অন্যদিকে সেই শক্তিকে কামনা ও আসক্তির বন্ধন থেকে মুক্ত রাখতে বলা হয়েছে। আবার মানুষকে আকাঙ্ক্ষাহীন হতে বলা হয়নি। বরং এমন আকাঙ্ক্ষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে যা ধর্মের বিরোধী নয়। অর্থাৎ শক্তি থাকবে, কিন্তু শক্তির অহংকার থাকবে না। কামনা থাকবে, কিন্তু কামনার দাসত্ব থাকবে না। কর্ম থাকবে, কিন্তু অধর্ম থাকবে না। সাফল্য থাকবে, কিন্তু তার সঙ্গে আত্মঅহংকার যুক্ত হবে না।

এই শ্লোক তাই শুধু ঈশ্বর কোথায় আছেন তার একটি আধ্যাত্মিক ঘোষণা নয়। এটি মানুষের নিজের জীবনকে দেখার একটি আয়না। যখন মানুষের শক্তি স্বার্থপর আকাঙ্ক্ষা থেকে মুক্ত হয় এবং তার আকাঙ্ক্ষা ধর্মের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তখন তার জীবন ধীরে ধীরে আত্মকেন্দ্রিকতা থেকে ঈশ্বরকেন্দ্রিকতার দিকে অগ্রসর হয়। তখন শক্তি হয়ে ওঠে সেবার উপায়, কামনা হয়ে ওঠে সৃষ্টির প্রেরণা এবং জীবন হয়ে ওঠে সত্য, ন্যায় ও কল্যাণের পথে চলার এক গভীর সাধনা। এই উপলব্ধিই শ্রীকৃষ্ণের বাণীর অন্তর্নিহিত সৌন্দর্য এবং মানবজীবনের জন্য এর চিরন্তন তাৎপর্য।

বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।

30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি

আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
এ প্রকাশিত: August 16, 2026 August 16, 2026

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি