ভগবদ্গীতা ৭.১৯ | বহু জন্মের সাধনা, বাসুদেব সর্বস্ব উপলব্ধি ও দুর্লভ মহাত্মা
বহুনাং জন্মনামন্তে জ্ঞানবান্মং প্রপদ্যতে।
বাসুদেবঃ সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভঃ।।১৯।।
অনুবাদঃ বহু জন্মের পর তত্ত্বজ্ঞানী ব্যক্তি আমাকে সর্ব কারণের পরম কারণ রূপে জেনে আমার শরণাগত হন। সেইরূপ মহাত্মা অত্যন্ত দুর্লভ।
ভগবদ্গীতার সপ্তম অধ্যায়ের উনিশতম শ্লোকটি মানবজীবনের দীর্ঘ আধ্যাত্মিক যাত্রা এবং তার চূড়ান্ত উপলব্ধিকে অত্যন্ত গভীর অথচ সংক্ষিপ্ত ভাষায় প্রকাশ করেছে। শ্রীকৃষ্ণ বলেন, “বহুনাং জন্মনামন্তে জ্ঞানবান্মাং প্রপদ্যতে। বাসুদেবঃ সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভঃ।” এর সহজ অর্থ হলো বহু জন্মের সাধনা ও অভিজ্ঞতার শেষে জ্ঞানী ব্যক্তি পরমেশ্বরের শরণ গ্রহণ করেন এবং উপলব্ধি করেন যে বাসুদেবই সর্বস্ব। এমন উপলব্ধিসম্পন্ন মহাত্মা অত্যন্ত দুর্লভ। এই একটি শ্লোকের মধ্যে মানুষের অজ্ঞতা থেকে জ্ঞানের দিকে, অহংকার থেকে আত্মসমর্পণের দিকে এবং বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি থেকে সর্বব্যাপী ঐক্যের উপলব্ধির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্পূর্ণ পথটি যেন সংক্ষেপে ফুটে উঠেছে।
শ্লোকটির শুরু হয়েছে “বহুনাং জন্মনামন্তে” এই শব্দগুলোর মাধ্যমে। “বহু” অর্থ অনেক এবং “জন্ম” শব্দটি সংস্কৃত “জন্” ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ জন্ম নেওয়া, উৎপন্ন হওয়া বা প্রকাশিত হওয়া। ফলে “বহুনাং জন্মনামন্তে” অর্থ বহু জন্মের শেষে। ভারতীয় দর্শনের পুনর্জন্মের ধারণার আলোকে এর আক্ষরিক অর্থ হলো জীবনের পর জীবন ধরে কর্ম, অভিজ্ঞতা, সাধনা ও আত্মঅনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে চেতনার পরিপক্বতা অর্জন। তবে এই কথাটিকে আরও গভীর অর্থেও দেখা যায়। মানুষের এক জীবনেই বহুবার অন্তরের জন্ম হতে পারে। অজ্ঞতার মৃত্যু থেকে জ্ঞানের জন্ম, অহংকারের মৃত্যু থেকে বিনয়ের জন্ম, স্বার্থপরতার মৃত্যু থেকে প্রেমের জন্ম এবং ভয়ের মৃত্যু থেকে স্বাধীনতার জন্ম হতে পারে। সেই অর্থে বহু জন্ম শুধু দেহের বহুবার জন্ম নেওয়া নয়, চেতনার বহু স্তর অতিক্রম করারও প্রতীক।
এরপর এসেছে “জ্ঞানবান” শব্দটি। জ্ঞান শব্দটি সংস্কৃত “জ্ঞা” ধাতু থেকে এসেছে, যার অর্থ জানা, চিনতে পারা বা উপলব্ধি করা। জ্ঞানবান অর্থ জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি। কিন্তু গীতার এই প্রসঙ্গে জ্ঞানবান বলতে কেবল বহু শাস্ত্র পড়া বা অসংখ্য তথ্য জানা মানুষকে বোঝানো হয়নি। এখানে জ্ঞান হলো এমন এক উপলব্ধি যা মানুষের অস্তিত্বকে পরিবর্তন করে দেয়। ঈশ্বর আছেন এই কথা জানা এক ধরনের জ্ঞান, ঈশ্বর সর্বত্র আছেন এই সত্যকে বুদ্ধি দিয়ে বোঝা আরেক ধরনের জ্ঞান, কিন্তু নিজের অন্তরের গভীরতায় সেই সত্যকে উপলব্ধি করে জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ঘটানোই প্রকৃত জ্ঞান। তাই শাস্ত্রজ্ঞান মাথায় থাকতে পারে, কিন্তু আত্মজ্ঞান মানুষের জীবনকে বদলে দেয়।
“মাং প্রপদ্যতে” অংশে শ্লোকটি আরও গভীর অর্থ ধারণ করেছে। “মাম্” অর্থ আমাকে এবং “প্রপদ্যতে” শব্দটি “প্র” উপসর্গ এবং “পদ্” ধাতুর সঙ্গে সম্পর্কিত। এর মধ্যে কারও কাছে এগিয়ে যাওয়া, আশ্রয় নেওয়া এবং শরণ গ্রহণ করার ভাব রয়েছে। তাই “মাং প্রপদ্যতে” অর্থ জ্ঞানী ব্যক্তি আমার শরণ গ্রহণ করেন। এখানে আত্মসমর্পণকে দুর্বলতার চিহ্ন হিসেবে দেখা হয়নি। বরং সত্যিকারের জ্ঞানের স্বাভাবিক ফল হিসেবে দেখানো হয়েছে। মানুষ যখন নিজের সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করে এবং বুঝতে পারে যে তার ব্যক্তিগত অহংকার দিয়ে সমগ্র জীবন ও জগতকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, তখন তার মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই বিনয় জন্ম নেয়। সেই বিনয় থেকেই আসে শরণাগতি। প্রকৃত জ্ঞান মানুষকে অহংকারী করে না, বরং তাকে আরও বিনয়ী, শান্ত ও সত্যনিষ্ঠ করে তোলে।
শ্লোকটির সবচেয়ে গভীর এবং বিখ্যাত অংশ হলো “বাসুদেবঃ সর্বমিতি”। বাসুদেব শব্দের একটি প্রচলিত অর্থ হলো বাসুদেবের পুত্র কৃষ্ণ। কিন্তু এই শ্লোকে “বাসুদেবই সর্বময়” বলা হলে তা কেবল কৃষ্ণের পারিবারিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। এখানে বাসুদেব পরমেশ্বরের সর্বব্যাপী ও পরম স্বরূপের প্রতীক হয়ে ওঠেন। “সর্বম্” অর্থ সবকিছু, সমগ্র অস্তিত্ব, যা কিছু দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য। ফলে “বাসুদেবঃ সর্বম্” বলতে বোঝায়, সমগ্র অস্তিত্বের অন্তর্নিহিত পরম সত্য বাসুদেব। জ্ঞানী ব্যক্তি তখন ঈশ্বরকে কেবল একটি নির্দিষ্ট স্থান, মন্দির বা উপাসনার মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখেন না। তিনি উপলব্ধি করেন যে সমগ্র জীবন, প্রকৃতি, প্রাণ, চেতনা এবং অস্তিত্বের গভীরে সেই পরম সত্যের উপস্থিতি রয়েছে।
এই উপলব্ধিকে বোঝার জন্য সমুদ্র ও তরঙ্গের উপমা খুব সুন্দর। সমুদ্রের উপর অসংখ্য তরঙ্গ সৃষ্টি হয়। কোনোটি ছোট, কোনোটি বড়, কোনোটি শান্ত, কোনোটি প্রবল। বাহ্যিকভাবে তারা পৃথক হলেও তাদের প্রকৃত উপাদান একই জল। অজ্ঞ দৃষ্টিতে তরঙ্গের বৈচিত্র্যই প্রধান হয়ে ওঠে, কিন্তু জ্ঞানীর দৃষ্টিতে বৈচিত্র্যের অন্তরালে জলের ঐক্য প্রকাশিত হয়। একইভাবে মানুষ বাহ্যিক পরিচয়ে পৃথক। কারও জাতি, ভাষা, ধর্ম, সম্পদ, ক্ষমতা বা সামাজিক অবস্থান আলাদা হতে পারে। কিন্তু আধ্যাত্মিক উপলব্ধির গভীরে গিয়ে মানুষ বুঝতে পারে যে এই বহুত্বের অন্তরালে একটি বৃহত্তর ঐক্য রয়েছে। “বাসুদেবঃ সর্বম্” সেই ঐক্যেরই এক গভীর আধ্যাত্মিক ঘোষণা।
অদ্বৈত বেদান্তের দৃষ্টিতে এই উপলব্ধি পরম সত্যের একত্বকে নির্দেশ করে। বহুর মধ্যে এক এবং পরিবর্তনশীল জগতের অন্তরালে অপরিবর্তনীয় সত্যের সন্ধান এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। বিশিষ্টাদ্বৈত দর্শনে এই কথাকে এমনভাবে বোঝা যায় যে সমস্ত জীব ও জগত পরমেশ্বরের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে সম্পর্কযুক্ত এবং তাঁর ওপর নির্ভরশীল। দ্বৈত দর্শনের আলোকে আবার বাসুদেবের সর্বোচ্চত্ব, সর্বনিয়ন্তৃত্ব এবং সর্বাশ্রয়ত্ব প্রধান হয়ে ওঠে। দর্শনের ভাষা ভিন্ন হলেও একটি সাধারণ সত্য স্পষ্ট হয় যে মানুষ যখন নিজের সীমাবদ্ধ সত্তাকে অতিক্রম করে পরম সত্যের সঙ্গে সম্পর্ক উপলব্ধি করতে পারে, তখন তার দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ বদলে যায়।
এই শ্লোকের আরেকটি গভীর দিক হলো জ্ঞান ও ভক্তির মিলন। সাধারণভাবে জ্ঞান ও ভক্তিকে অনেক সময় আলাদা পথ হিসেবে দেখা হয়। কিন্তু এখানে জ্ঞানের পরিণতি হচ্ছে শরণাগতি। অর্থাৎ যে সত্যকে সত্যিই উপলব্ধি করেছে, সে শেষ পর্যন্ত নিজের অহংকারকে আঁকড়ে ধরে থাকে না। সে বুঝতে পারে যে তার অস্তিত্ব বৃহত্তর এক সত্যের সঙ্গে যুক্ত। তখন তার ভক্তি আর কেবল নিজের প্রয়োজন পূরণের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা থাকে না। সে ঈশ্বরকে ভালোবাসে ঈশ্বরের জন্যই এবং সমগ্র অস্তিত্বের মধ্যে ঈশ্বরীয় উপস্থিতি অনুভব করতে শেখে।
এই কারণেই শ্লোকের শেষে এসেছে “স মহাত্মা সুদুর্লভঃ”। “মহাত্মা” শব্দটি গঠিত হয়েছে “মহা” এবং “আত্মা” শব্দের সমন্বয়ে। আক্ষরিক অর্থে মহান আত্মা। কিন্তু এখানে মহাত্মা বলতে শুধু ভালো বা পুণ্যবান মানুষকে বোঝানো হয়নি। মহাত্মা হলেন সেই ব্যক্তি যার চেতনা সংকীর্ণ অহংকারের সীমা অতিক্রম করেছে এবং যার অন্তর বৃহত্তর সত্যের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে। তিনি নিজের স্বার্থের বাইরে অন্যের কল্যাণ দেখতে পারেন, নিজের সুখের বাইরে সমগ্র জীবনের সঙ্গে সম্পর্ক অনুভব করতে পারেন এবং ঈশ্বরকে জীবনের একটি অংশ হিসেবে নয়, জীবনের অন্তর্নিহিত সত্য হিসেবে উপলব্ধি করতে পারেন।
“সুদুর্লভ” অর্থ অত্যন্ত দুর্লভ। কৃষ্ণের এই ঘোষণা মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনের একটি কঠিন সত্যকে সামনে আনে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করা সহজ, কিন্তু ঈশ্বরকে জীবনের কেন্দ্র করে তোলা কঠিন। ধর্মীয় আচরণ করা সহজ, কিন্তু আচরণের অন্তরে সত্য ও প্রেম প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। ঈশ্বরের কাছে নিজের প্রয়োজনের কথা বলা সহজ, কিন্তু নিজের অহংকারকে ঈশ্বরের কাছে সমর্পণ করা কঠিন। জগতের মধ্যে ঈশ্বরকে খোঁজা সহজ, কিন্তু নিজের পছন্দ অপছন্দের সীমা অতিক্রম করে সর্বত্র ঈশ্বরীয় সত্যকে অনুভব করা অত্যন্ত কঠিন। সেই কারণেই এমন মহাত্মা সুদুর্লভ।
মানবজীবনের ক্ষেত্রেও এই শ্লোকের শিক্ষা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা সাধারণত জীবনের শুরুতে বাইরের জগতের মধ্যে পূর্ণতা খুঁজি। অর্থ, সম্মান, সাফল্য, সম্পর্ক, ক্ষমতা ও নিরাপত্তা আমাদের আকর্ষণ করে। কিন্তু অভিজ্ঞতা যত বাড়ে, ততই বোঝা যায় যে বাহ্যিক অর্জন সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে না। তখন মানুষের মধ্যে একটি গভীর প্রশ্ন জেগে ওঠে। আমি কে, জীবনের উদ্দেশ্য কী, সুখ কোথায়, মৃত্যুর অর্থ কী এবং এই বিশাল অস্তিত্বের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কী। সেই প্রশ্ন থেকেই শুরু হয় আত্মঅনুসন্ধান। দীর্ঘ অনুসন্ধানের শেষে যখন মানুষ উপলব্ধি করে যে তার পৃথক অহংকারই সবকিছুর কেন্দ্র নয়, তখন তার মধ্যে একটি নতুন দৃষ্টির জন্ম হয়।
এই উপলব্ধির একটি সুন্দর প্রতীক হলো নদীর সমুদ্রে মিলিত হওয়া। নদী পাহাড় থেকে বেরিয়ে অসংখ্য বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলে। কখনো তার গতি দ্রুত হয়, কখনো ধীর হয়, কখনো পাথরের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়, কখনো তার পথ পরিবর্তিত হয়। তবু সে এগিয়ে যায় সমুদ্রের দিকে। মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনও তেমন। জীবনের সুখ, দুঃখ, সাফল্য, ব্যর্থতা, প্রেম, বিচ্ছেদ, পাওয়া এবং হারানোর মধ্য দিয়ে মানুষ ধীরে ধীরে পরিণত হয়। একসময় সে বুঝতে পারে যে যে সত্যকে সে বাইরে খুঁজছিল, সেই সত্যের অনুসন্ধান তার নিজের অন্তরের মধ্যেও চলছে। নদী যখন সমুদ্রে পৌঁছায়, তখন তার পৃথক পরিচয় বৃহত্তর সত্তার মধ্যে নতুন অর্থ পায়। তেমনি মানুষ যখন “বাসুদেবঃ সর্বম্” উপলব্ধি করে, তখন তার ব্যক্তিসত্তা ধ্বংস না হয়ে বৃহত্তর সত্যের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক লাভ করে।
এই শ্লোক তাই কেবল ধর্মীয় উপদেশ নয়, এটি মানুষের চেতনার বিবর্তনের এক গভীর দর্শন। অজ্ঞতা থেকে জ্ঞান, জ্ঞান থেকে বিনয়, বিনয় থেকে শরণাগতি এবং শরণাগতি থেকে সর্বত্র ঐক্যের উপলব্ধি এই শ্লোকের অন্তর্নিহিত পথ। এর শিক্ষা হলো সত্যিকারের জ্ঞান আমাদের অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে না, বরং আরও গভীরভাবে যুক্ত করে। সত্যিকারের ভক্তি আমাদের সংকীর্ণ স্বার্থে আবদ্ধ রাখে না, বরং হৃদয়কে প্রসারিত করে। সত্যিকারের আত্মজ্ঞান আমাদের অহংকার বাড়ায় না, বরং আমাদের উপলব্ধি করায় যে আমরা বৃহত্তর এক অস্তিত্বের অংশ।
সবশেষে বলা যায়, “বহুনাং জন্মনামন্তে জ্ঞানবান্মাং প্রপদ্যতে। বাসুদেবঃ সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভঃ” মানুষের দীর্ঘ আত্মঅনুসন্ধানের এক চূড়ান্ত সত্যকে প্রকাশ করে। বহু অভিজ্ঞতা ও সাধনার শেষে যখন জ্ঞান জন্ম নেয়, তখন মানুষ বুঝতে শেখে যে বাহ্যিক বৈচিত্র্যের অন্তরালে একটি গভীর ঐক্য রয়েছে। সেই জ্ঞান অহংকারকে ক্ষয় করে এবং শরণাগতির জন্ম দেয়। তখন ঈশ্বর আর কেবল উপাসনার বিষয় থাকেন না, বরং সমগ্র অস্তিত্বের অন্তর্নিহিত সত্য হয়ে ওঠেন। “বাসুদেবই সর্বস্ব” এই উপলব্ধিই মানুষের চেতনার এক মহান পরিণতি। আর যে মানুষ সত্যিই এই উপলব্ধিতে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, তিনিই গীতার ভাষায় মহাত্মা। এমন মানুষ সত্যিই সুদুর্লভ, কারণ সত্যকে জানা অনেক সহজ, কিন্তু সত্যকে নিজের জীবন ও অস্তিত্বের গভীরে উপলব্ধি করে সেই সত্য হয়ে ওঠাই মানবজীবনের সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে মহৎ সাধনা।
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!