সম্পর্কিত

শেয়ার করুন

ভগবদ্গীতা ৭.২৫ | যোগমায়ায় আবৃত ঈশ্বরস্বরূপ ও পরম সত্য উপলব্ধির সীমাবদ্ধতা

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
তারিখে পোস্ট করা হয়েছে
নাহং প্রকাশঃ সর্বস্য যোগমায়াসমাবৃতঃ। মূঢ়োহয়ং নাভিজানাতি লোকো মামজমব্যয়ম্।।২৫।।
নাহং প্রকাশঃ সর্বস্য যোগমায়াসমাবৃতঃ। 
মূঢ়োহয়ং নাভিজানাতি লোকো মামজমব্যয়ম্।।২৫।।

অনুবাদঃ আমি মূঢ় ও বুদ্ধিহীন ব্যক্তিদের কাছে কখনও প্রকাশিত হই না। তাদের কাছে আমি আমার অন্তরঙ্গা শক্তি যোগমায়ার দ্বারা আবৃত থাকি। তাই, তাঁরা আমার অজ ও অব্যয় স্বরূপকে জানতে পারে না।

ভগবদ্গীতার সপ্তম অধ্যায়ের পঁচিশতম শ্লোকটি মানুষের ঈশ্বর উপলব্ধির সীমাবদ্ধতা এবং পরম সত্যের প্রকৃতি সম্পর্কে এক গভীর আধ্যাত্মিক সত্য প্রকাশ করে। শ্রীকৃষ্ণ বলেন, “নাহং প্রকাশঃ সর্বস্য যোগমায়াসমাবৃতঃ। মূঢ়োহয়ং নাভিজানাতি লোকো মামজমব্যয়ম্।” এর সহজ অর্থ হলো, তিনি সকলের কাছে তাঁর প্রকৃত স্বরূপে প্রকাশিত নন, কারণ যোগমায়ার দ্বারা তিনি আবৃত। ফলে মোহগ্রস্ত মানুষ তাঁকে জন্মহীন এবং অবিনশ্বর হিসেবে যথার্থভাবে উপলব্ধি করতে পারে না। এই বক্তব্যের মধ্যে শুধু ঈশ্বরতত্ত্ব নয়, মানুষের জ্ঞান, চেতনা, মায়া, আত্মপরিচয় এবং আধ্যাত্মিক উপলব্ধির গভীর রহস্যও নিহিত রয়েছে।

শ্লোকটির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো নাহং। এটি ন এবং অহম্ এই দুটি শব্দের সন্ধিরূপ। ন অর্থ না এবং অহম্ অর্থ আমি। পরবর্তী প্রকাশঃ শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে এর অর্থ দাঁড়ায় আমি সকলের কাছে প্রকাশিত নই। এখানে প্রকাশ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত কাশ ধাতুর সঙ্গে প্র উপসর্গের সম্পর্ক থেকে। কাশের মধ্যে আলো, দীপ্তি এবং উদ্ভাসিত হওয়ার ভাব রয়েছে। প্র উপসর্গ সেই প্রকাশকে আরও স্পষ্ট ও ব্যাপক করে। ফলে প্রকাশ মানে কেবল চোখের সামনে দৃশ্যমান হওয়া নয়, চেতনার কাছে কোনো সত্যের উদ্ভাসিত হওয়াও প্রকাশের অন্তর্গত অর্থ। কৃষ্ণ যখন বলেন যে তিনি সকলের কাছে প্রকাশিত নন, তখন তিনি তাঁর অস্তিত্ব অস্বীকার করছেন না। বরং বোঝাচ্ছেন যে তাঁর প্রকৃত স্বরূপ সকল মানুষের চেতনায় সমানভাবে উদ্ভাসিত হয় না।

এরপর আসে সর্বস্য শব্দটি। সর্ব অর্থ সকল এবং স্য প্রত্যয় সংস্কৃতে সম্বন্ধ বা অধিকারের ভাব প্রকাশ করে। সর্বস্য অর্থ সকলের। অর্থাৎ কৃষ্ণের বক্তব্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি সম্পর্কে নয়, মানুষের সাধারণ উপলব্ধির একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে। একজন মানুষ ঈশ্বরকে দেখতে পারে, কিন্তু তাঁর প্রকৃত স্বরূপ উপলব্ধি করতে নাও পারে। চোখে দেখা এবং সত্যকে জানা এক বিষয় নয়। বাহ্যিক রূপ দেখা সহজ, কিন্তু সেই রূপের অন্তর্নিহিত চিরন্তন সত্য উপলব্ধি করা অনেক গভীর বিষয়।

শ্লোকটির কেন্দ্রীয় শব্দ হলো যোগমায়াসমাবৃতঃ। যোগমায়া শব্দটি গঠিত হয়েছে যোগ এবং মায়া এই দুটি ধারণার সমন্বয়ে। যোগ শব্দের মূলের মধ্যে সংযোগ, ঐক্য এবং ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ভাব রয়েছে। মায়া ভারতীয় দর্শনের একটি অত্যন্ত গভীর ধারণা। মায়াকে শুধু মিথ্যা বা ভ্রম বলে অনুবাদ করলে এর প্রকৃত ব্যাপ্তি বোঝা যায় না। প্রসঙ্গভেদে মায়া ঈশ্বরের শক্তি, বিশ্বপ্রকাশের শক্তি, আচ্ছাদনকারী শক্তি অথবা সীমাবদ্ধ উপলব্ধির কারণ হিসেবে ব্যাখ্যাত হয়েছে। যোগমায়া বলতে এখানে ঈশ্বরের সেই ঐশ্বরিক শক্তিকে বোঝানো হয়েছে যার মাধ্যমে তাঁর পরম স্বরূপ সাধারণ মানুষের উপলব্ধির আড়ালে থাকে এবং বিশেষ আধ্যাত্মিক অবস্থায় প্রকাশিতও হতে পারে।

সমাবৃতঃ শব্দটি সংস্কৃত বৃত ধাতুর সঙ্গে সম এবং আ উপসর্গের সম্পর্কযুক্ত। এর অর্থ সম্পূর্ণভাবে আবৃত বা আচ্ছাদিত। তাই যোগমায়াসমাবৃতঃ এর সরল অর্থ যোগমায়ার দ্বারা আবৃত। কিন্তু এই কথার গভীর অর্থ হলো ঈশ্বরের অস্তিত্ব কোনো আবরণের দ্বারা ধ্বংস বা সীমাবদ্ধ হয় না। আবরণটি মূলত মানুষের উপলব্ধির স্তরে। যেমন আকাশে সূর্য জ্বলছে অথচ মেঘের কারণে আমরা তাকে দেখতে পাচ্ছি না, তেমনি পরম সত্য সর্বদা বিদ্যমান থেকেও মানুষের মোহ, অজ্ঞতা, অহংকার, আসক্তি এবং সীমিত দৃষ্টির কারণে অপ্রকাশিত বলে মনে হতে পারে। মেঘ সূর্যকে সৃষ্টি করে না এবং সূর্যকেও ধ্বংস করে না। শুধু মানুষের দৃষ্টিকে বাধাগ্রস্ত করে। যোগমায়ার ধারণাটিকে বোঝার জন্য এই উপমাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এরপর কৃষ্ণ মূঢ় শব্দটি ব্যবহার করেছেন। মূঢ় শব্দের মূলের মধ্যে মোহগ্রস্ততা ও বিভ্রান্তির ধারণা রয়েছে। এখানে মূঢ় বলতে কেবল অল্পবুদ্ধি মানুষকে বোঝানো হয়নি। গীতার দৃষ্টিতে মূঢ় সেই ব্যক্তি, যে বাহ্যিক ও পরিবর্তনশীল রূপকে চূড়ান্ত সত্য বলে মনে করে এবং তার অন্তর্নিহিত বাস্তবতাকে উপলব্ধি করতে পারে না। মানুষ সাধারণত দেহ, নাম, পরিচয়, সম্পদ, সম্পর্ক এবং সামাজিক অবস্থানকে নিজের অস্তিত্বের কেন্দ্র মনে করে। কিন্তু গীতা প্রশ্ন তোলে, এগুলোর পরিবর্তনের মধ্যেও যে চেতনা সবকিছুর সাক্ষী হয়ে থাকে, তার প্রকৃতি কী। এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার অক্ষমতাই গভীর অর্থে মূঢ়তার একটি রূপ।

নাভিজানাতি শব্দটির মধ্যেও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। এটি ন এবং অভিজানাতি থেকে গঠিত। অভিজানাতির মূলের মধ্যে বিশেষভাবে জানা, যথার্থভাবে চেনা এবং গভীরভাবে উপলব্ধি করার ভাব রয়েছে। তাই কৃষ্ণের বক্তব্য কেবল এই নয় যে মানুষ তাঁকে দেখতে পায় না। বরং মানুষ তাঁকে যথার্থভাবে চিনতে পারে না। কেউ কৃষ্ণের মানবীয় রূপ দেখতে পারে, তাঁর কথা শুনতে পারে এবং তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জানতে পারে, কিন্তু তাঁর অজ ও অব্যয় পরম স্বরূপ উপলব্ধি করতে পারে না। এখানে গীতা বাহ্যিক জ্ঞান এবং অন্তর্দৃষ্টির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি করছে।

শ্লোকের শেষ দুটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো অজম্ এবং অব্যয়ম্। অজ অর্থ যার জন্ম নেই এবং অব্যয় অর্থ যার ক্ষয় নেই। অজ শব্দের মধ্যে নিষেধাত্মক অ এবং জন্মের ধারণা নিহিত। অব্যয় শব্দে অ দ্বারা ক্ষয় বা ব্যয়ের অনুপস্থিতি বোঝানো হয়েছে। এই দুটি শব্দ পাশাপাশি ব্যবহারের মধ্যে গভীর দার্শনিক সৌন্দর্য রয়েছে। যা জন্ম নেয় তা সাধারণত পরিবর্তিত হয় এবং যা পরিবর্তিত হয় তা একসময় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। কিন্তু কৃষ্ণ তাঁর পরম স্বরূপকে এমন এক বাস্তবতা হিসেবে নির্দেশ করছেন যা জন্মের দ্বারা শুরু হয় না এবং ক্ষয়ের দ্বারা শেষ হয় না। অর্থাৎ তিনি সময়ের সাধারণ পরিবর্তনশীলতার অতীত এক চিরন্তন সত্য।

এই কারণে শ্লোকটি মানুষের আত্মপরিচয় সম্পর্কেও গভীর প্রশ্ন উত্থাপন করে। আমরা সাধারণত বলি আমি জন্মেছি, আমি বড় হয়েছি, আমি পরিবর্তিত হয়েছি। কিন্তু গীতা প্রশ্ন করে, যে দেহ জন্ম নিয়েছে এবং ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে, সেটিই কি আমার সম্পূর্ণ পরিচয়। দেহের জন্ম আছে, দেহের পরিবর্তন আছে এবং দেহের ক্ষয় আছে। কিন্তু আত্মতত্ত্বের আলোচনায় চেতনার যে মূল সত্তাকে দেহের পরিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তার প্রকৃতি ভিন্ন। এই দৃষ্টিতে অজ এবং অব্যয় শব্দ দুটি শুধু কৃষ্ণের পরম স্বরূপকেই নির্দেশ করে না, বরং আত্মার চিরন্তন প্রকৃতি উপলব্ধির দিকেও মানুষকে নিয়ে যায়।

দার্শনিক দৃষ্টিতে এই শ্লোকের একটি প্রধান প্রশ্ন হলো সত্য কি আমাদের সামনে নেই, নাকি আমাদের দৃষ্টিই সত্যকে দেখার মতো স্বচ্ছ নয়। গীতার উত্তর দ্বিতীয়টির দিকে নির্দেশ করে। সত্যের অস্তিত্ব মানুষের বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে না। মানুষ সত্যকে জানুক বা না জানুক, সত্য তার নিজের স্বরূপে থাকে। একজন মানুষ যদি কোনো সৎ ব্যক্তিকে ভুল বোঝে, তাহলে সেই ভুল ধারণার কারণে সেই ব্যক্তির সততা নষ্ট হয় না। একইভাবে মানুষের অজ্ঞতার কারণে পরম সত্যের অস্তিত্ব বা প্রকৃতি পরিবর্তিত হয় না।

অদ্বৈত বেদান্তের দৃষ্টিতে এই শ্লোককে মায়া এবং অজ্ঞতার ধারণার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত করে দেখা যায়। মানুষ পরম বাস্তবতাকে নিজের প্রকৃত স্বরূপ হিসেবে উপলব্ধি না করে দেহ, মন এবং নামরূপের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করে ফেলে। ফলে পরিবর্তনশীল জগতকে চূড়ান্ত বাস্তব বলে মনে হয়। জ্ঞান উদিত হলে এই ভুল পরিচয় ধীরে ধীরে দূর হয় এবং মানুষ উপলব্ধি করতে শুরু করে যে সত্য কখনো সত্যিই আচ্ছাদিত ছিল না। আচ্ছাদিত ছিল তার নিজের উপলব্ধি।

ভক্তির দৃষ্টিতে এই শ্লোকের তাৎপর্য আরও হৃদয়স্পর্শী। ঈশ্বরকে শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপলব্ধি করা যায় না। শ্রদ্ধা, ভক্তি, আত্মসমর্পণ এবং অন্তরের শুদ্ধতারও প্রয়োজন রয়েছে। মানুষ যত বেশি নিজের অহংকার ও আসক্তির আবরণ থেকে মুক্ত হয়, তত বেশি তার অন্তর্দৃষ্টি নির্মল হয়। তখন ঈশ্বরকে কেবল বাহ্যিক রূপের মধ্যে নয়, অস্তিত্বের গভীরতম সত্য হিসেবে অনুভব করার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।

সাহিত্যিক ও প্রতীকী দৃষ্টিতে এই শ্লোকটি আলো এবং অন্ধকারের এক চিরন্তন রূপক নির্মাণ করে। প্রকাশ হলো আলোর প্রতীক এবং যোগমায়ার আবরণ হলো মেঘের মতো একটি প্রতীক যা সেই আলোকে মানুষের চোখের আড়ালে রাখে। মনকে যদি একটি আয়নার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে অহংকার, কামনা, ভয়, আসক্তি এবং অজ্ঞতা সেই আয়নার ধুলোর মতো। আয়না ধুলোয় ঢাকা থাকলে নিজের মুখ সেখানে স্পষ্ট দেখা যায় না। কিন্তু ধুলো সরিয়ে ফেললে প্রতিবিম্ব নতুন করে সৃষ্টি হয় না, আগে থেকেই সেখানে থাকা প্রতিবিম্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। একইভাবে আধ্যাত্মিক সাধনার উদ্দেশ্য ঈশ্বরকে নতুন করে সৃষ্টি করা নয়, বরং নিজের চেতনার আচ্ছাদন দূর করা।

মানবজীবনের ক্ষেত্রেও এই শিক্ষা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আমরা প্রায়ই মানুষকে তার বাহ্যিক আচরণ, পোশাক, সামাজিক অবস্থান বা সাময়িক ভুলের ভিত্তিতে বিচার করি। কিন্তু একজন মানুষের অন্তর্গত জীবন তার বাহ্যিক রূপের চেয়ে অনেক গভীর। একইভাবে জীবনেও কোনো ঘটনা প্রথম দেখায় যেমন মনে হয়, তার অন্তর্নিহিত অর্থ সবসময় তেমন হয় না। এই শ্লোক আমাদের বাহ্যিক দৃশ্যের সীমা অতিক্রম করে গভীরভাবে দেখতে শেখায়। এটি আমাদের নিজের বিচারবুদ্ধিকেও প্রশ্ন করতে শেখায় এবং মনে করিয়ে দেয় যে নিজের উপলব্ধিকে চূড়ান্ত সত্য বলে ধরে নেওয়া জ্ঞানের পথে বড় বাধা হতে পারে।

সব মিলিয়ে ভগবদ্গীতার এই শ্লোকটি মানুষের সামনে এক গভীর আধ্যাত্মিক সত্য উন্মোচন করে। পরম সত্য সর্বত্র বিদ্যমান হলেও সকলের চেতনায় সমানভাবে প্রকাশিত হয় না। যোগমায়া সেই ঐশ্বরিক শক্তির প্রতীক যার কারণে ঈশ্বরের প্রকৃত স্বরূপ সাধারণ দৃষ্টির আড়ালে থাকে। মূঢ়তা হলো সেই অবস্থান যেখানে মানুষ বাহ্যিক রূপকে চূড়ান্ত সত্য মনে করে এবং অভিজ্ঞান থেকে বঞ্চিত থাকে। আর অজ ও অব্যয় শব্দ দুটি ঘোষণা করে যে পরম সত্য জন্ম ও মৃত্যুর সীমা, পরিবর্তন ও ক্ষয়ের নিয়মের অতীত।

এই শ্লোকের সবচেয়ে গভীর শিক্ষা সম্ভবত এই যে সত্যকে খুঁজে পাওয়ার আগে আমাদের নিজেদের দৃষ্টিকে শুদ্ধ করতে হয়। সূর্যকে উদিত করতে হয় না, মেঘ সরে গেলেই সূর্য নিজে থেকেই প্রকাশিত হয়। তেমনি পরম সত্যকে বাইরে থেকে সৃষ্টি করতে হয় না। মানুষের অন্তরের অজ্ঞতা, অহংকার, মোহ এবং আসক্তির আবরণ যত সরে যায়, ততই চেতনার মধ্যে সেই চিরন্তন সত্য উদ্ভাসিত হতে থাকে। তাই এই শ্লোক শুধু ঈশ্বর সম্পর্কে একটি ঘোষণা নয়, এটি মানুষের নিজের অস্তিত্বকে নতুন করে দেখার আহ্বান। এর অন্তর্নিহিত বাণী হলো পরম সত্য কখনো সত্যিই হারিয়ে যায় না, হারিয়ে যায় কেবল তাকে দেখার স্বচ্ছতা। আর সেই স্বচ্ছতা অর্জনের পথেই জ্ঞান, ভক্তি, আত্মঅনুসন্ধান এবং অন্তরের শুদ্ধতার প্রকৃত অর্থ নিহিত।

বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।

30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি

আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!

Heron Kumar Sikder
Written by Heron Kumar Sikder
এ প্রকাশিত: August 16, 2026 August 16, 2026

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি

শিরোনাম সম্পর্কে আরও অন্তর্দৃষ্টি