ভগবদ্গীতা ৭.৮ | জলে রস, সূর্য-চন্দ্রে জ্যোতি ও সর্বত্র ঈশ্বরের উপস্থিতি
রসোহহমপ্সু কৌন্তেয় প্রভাস্মি শশিসূর্যয়োঃ।
প্রণবঃ সর্ববেদেষু শব্দঃ খে পৌরুষং নৃষু।।৮।।
অনুবাদঃ হে কৌন্তেয়! আমিই জলের রস, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভা, সর্ব বেদের প্রণব, আকাশের শব্দ এবং মানুষের পৌরুষ।
ভগবদ্গীতার সপ্তম অধ্যায়ের অষ্টম শ্লোকটি এমন একটি গভীর আধ্যাত্মিক উপলব্ধির কথা বলে, যেখানে ঈশ্বরকে কোনো নির্দিষ্ট স্থান, বস্তু বা আচার অনুষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে জীবনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার মধ্যেই অনুভব করতে শেখানো হয়েছে। শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বলেন, হে কৌন্তেয়, আমি জলে রস, চন্দ্র ও সূর্যে জ্যোতি, সমস্ত বেদে প্রণব, আকাশে শব্দ এবং মানুষের মধ্যে পৌরুষ। এই সংক্ষিপ্ত শ্লোকের মধ্যে প্রকৃতি, ইন্দ্রিয়, জ্ঞান, চেতনা এবং মানবিক শক্তিকে এক সূত্রে বাঁধা হয়েছে। এখানে ঈশ্বরকে দূরের কোনো অতিলৌকিক সত্তা হিসেবে খোঁজার পরিবর্তে আমাদের প্রতিদিনের জীবন ও অভিজ্ঞতার গভীরে তাঁকে উপলব্ধি করার পথ দেখানো হয়েছে।
শ্লোকটির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ শব্দ রস। সংস্কৃত রস শব্দের সঙ্গে স্বাদ গ্রহণ ও আস্বাদনের ধারণার সম্পর্ক রয়েছে। সাধারণ অর্থে রস বলতে স্বাদ, নির্যাস বা কোনো তরলের সারাংশ বোঝায়। কিন্তু ভারতীয় চিন্তায় রসের অর্থ আরও বিস্তৃত। রস মানে শুধু জিহ্বায় অনুভূত স্বাদ নয়, কোনো কিছুর অন্তর্নিহিত প্রাণ, সৌন্দর্য, আনন্দ এবং আস্বাদনযোগ্য সার। সাহিত্যের ক্ষেত্রেও রস একটি গভীর নান্দনিক অনুভূতির নাম। সেই কারণে কৃষ্ণ যখন বলেন আমি জলে রস, তখন তাঁর বক্তব্য কেবল জলের স্বাদের কথা নয়। জলের মধ্যে যে সতেজতা, তৃপ্তি এবং জীবনধারণের শক্তি মানুষ অনুভব করে, সেই জীবনদায়ী সারাংশের মধ্যেও তিনি নিজের উপস্থিতি নির্দেশ করছেন। তৃষ্ণার্ত মানুষ যখন এক গ্লাস নির্মল জল পান করে তৃপ্ত হয়, সেই সাধারণ অভিজ্ঞতার মধ্যেও ঈশ্বরকে স্মরণ করা যায়। অর্থাৎ আধ্যাত্মিকতার জন্য সবসময় অসাধারণ কোনো অভিজ্ঞতার অপেক্ষা করতে হয় না। জীবনের সবচেয়ে সাধারণ মুহূর্তের গভীরতাতেও অসাধারণ সত্য লুকিয়ে থাকতে পারে।
এরপর কৃষ্ণ বলেন, তিনি চন্দ্র ও সূর্যের জ্যোতি। জ্যোতি শব্দের মধ্যে আলো, দীপ্তি এবং প্রকাশের ভাব রয়েছে। সূর্যের আলো বাহ্যিক জগতকে দৃশ্যমান করে এবং চন্দ্রের আলো অন্ধকারের মধ্যে কোমল প্রশান্তির অনুভূতি সৃষ্টি করে। প্রতীকী অর্থে সূর্য জ্ঞান, জাগরণ, শক্তি ও প্রকাশের প্রতীক হতে পারে এবং চন্দ্র মন, প্রশান্তি, সৌন্দর্য ও অন্তর্দৃষ্টির প্রতীক হতে পারে। তাই এই বক্তব্যকে গভীরভাবে উপলব্ধি করলে বোঝা যায়, মানুষের বাহ্যিক জ্ঞান ও অন্তরের শান্তি উভয়ের মধ্যেই সেই একই পরম সত্তার প্রকাশ অনুভব করা সম্ভব। আলো শুধু চোখকে দৃশ্যমান জগৎ দেখায় না, জ্ঞানের আলোও মানুষের অজ্ঞতার অন্ধকার দূর করে। সেই কারণে সূর্য ও চন্দ্রের জ্যোতি এখানে মহাজাগতিক আলোর পাশাপাশি জ্ঞান ও চেতনার প্রতীক হয়ে ওঠে।
শ্লোকের পরবর্তী শব্দ প্রণব। প্রণব বলতে সাধারণত পবিত্র ধ্বনি ওঁকে বোঝানো হয়। ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যে ওঁ কোনো সাধারণ শব্দ নয়। এটি পরম সত্য, চেতনা এবং অস্তিত্বের একটি গভীর ধ্বনিগত প্রতীক। বৈদিক ও উপনিষদীয় চিন্তায় ওঁকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। ওঁর ধ্বনির মধ্যে অ, উ এবং ম এই তিনটি ধ্বনির সমন্বয় দেখা হয় এবং অনেক দার্শনিক ব্যাখ্যায় এগুলোকে জাগ্রত, স্বপ্ন ও সুষুপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত করা হয়েছে। ধ্বনির পরবর্তী নীরবতাকেও চেতনার এক গভীর স্তরের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। এই কারণে কৃষ্ণ যখন বলেন সমস্ত বেদের মধ্যে আমি প্রণব, তখন তিনি বোঝাচ্ছেন যে জ্ঞানের সমস্ত অনুসন্ধানের অন্তরালে যে পরম সত্য, তার এক গভীর প্রতীকী প্রকাশ ওঁর মধ্যে নিহিত। শব্দের শুরু, বিস্তার এবং অবশেষে নীরবতায় ফিরে যাওয়ার মধ্যেও অস্তিত্বের একটি গভীর রহস্য অনুভব করা যায়।
এরপর আসে শব্দ এবং আকাশের সম্পর্ক। সংস্কৃত খ শব্দের অর্থ আকাশ বা বিস্তৃত স্থান এবং খে অর্থ আকাশে। ভারতীয় প্রাচীন দর্শনে শব্দকে আকাশের বিশেষ গুণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আকাশকে অন্যান্য উপাদানের তুলনায় সূক্ষ্মতর বলে মনে করা হয় এবং শব্দের প্রকাশের জন্য আকাশকে একটি সূক্ষ্ম আধার হিসেবে দেখা হয়েছে। কৃষ্ণের বক্তব্য তাই কেবল শ্রুত শব্দের কথা নয়। এটি প্রকাশ, যোগাযোগ এবং অস্তিত্বের সূক্ষ্মতার দিকেও ইঙ্গিত করে। মানুষ শব্দের মাধ্যমে চিন্তা প্রকাশ করে, ভাষার মাধ্যমে জ্ঞান বিনিময় করে এবং সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুভূতি প্রকাশ করে। একটি শব্দ কখনও মানুষকে আনন্দ দেয়, কখনও সান্ত্বনা দেয়, কখনও জ্ঞান দেয় এবং কখনও আবার তার জীবন বদলে দেয়। সেই শব্দের গভীরতম অস্তিত্বের মধ্যেও ঈশ্বরীয় প্রকাশকে অনুভব করার শিক্ষা এই শ্লোকের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
সবশেষে কৃষ্ণ বলেন, মানুষের মধ্যে তিনি পৌরুষ। পৌরুষ শব্দটি পুরুষ শব্দ থেকে উদ্ভূত হলেও এখানে একে কেবল পুরুষের শারীরিক শক্তি বা পুরুষত্বের সংকীর্ণ অর্থে বোঝা উচিত নয়। এর বিস্তৃত অর্থ হলো সাহস, শক্তি, উদ্যোগ, সক্ষমতা, দৃঢ়তা, কর্মশক্তি এবং প্রতিকূলতার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকার সামর্থ্য। একজন মানুষের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য বলার সাহস, বিপদের সময় স্থির থাকার শক্তি, নিজের কর্তব্য পালন করার দৃঢ়তা এবং কল্যাণকর কাজে উদ্যোগী হওয়ার ক্ষমতার মধ্যেও এই পৌরুষের প্রকাশ দেখা যায়। এই শক্তি অহংকারের শক্তি নয়। বরং নিজের শক্তির উৎসকে বৃহত্তর সত্যের সঙ্গে যুক্ত করে দেখার শক্তি। মানুষ যখন ভাবে সব ক্ষমতা কেবল তার নিজের, তখন শক্তি অহংকারে পরিণত হয়। কিন্তু যখন সে উপলব্ধি করে যে তার বুদ্ধি, সাহস, কর্মক্ষমতা এবং সৃষ্টিশীলতা বৃহত্তর অস্তিত্বেরই দান, তখন সেই শক্তি সেবা, কর্তব্য এবং কল্যাণের পথে ব্যবহৃত হতে পারে।
এই শ্লোকের সৌন্দর্য এখানেই যে কৃষ্ণ একই সঙ্গে জড় জগৎ, মহাজাগতিক জগৎ, আধ্যাত্মিক জগৎ এবং মানবজীবনের মধ্যে একটি ঐক্য দেখিয়েছেন। জলের রস ইন্দ্রিয়ের অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত, সূর্য ও চন্দ্রের আলো প্রকৃতির মহিমাকে প্রকাশ করে, ওঁ চেতনা ও আধ্যাত্মিক অনুসন্ধানের দিকে নিয়ে যায়, আকাশের শব্দ সূক্ষ্ম অস্তিত্ব ও প্রকাশের কথা মনে করিয়ে দেয় এবং মানুষের পৌরুষ তাকে কর্ম ও কর্তব্যের জগতে ফিরিয়ে আনে। অর্থাৎ ঈশ্বরকে খুঁজতে গিয়ে জীবন থেকে পালিয়ে যেতে হবে না। বরং জীবনকে আরও গভীরভাবে দেখতে হবে।
অদ্বৈত বেদান্তের দৃষ্টিতে এই বক্তব্যের আরও গভীর তাৎপর্য রয়েছে। পরম সত্য সর্বব্যাপী হলে জগতের অভিজ্ঞতা তার বাইরে হতে পারে না। জলের রস, আলোর দীপ্তি, শব্দের প্রকাশ এবং মানুষের শক্তি প্রত্যেকটিই অস্তিত্বের সেই পরম ভিত্তির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষ্ণ যখন বলেন আমি জলের রস, তখন এর অর্থ এই নয় যে একটি নির্দিষ্ট বস্তুই ঈশ্বরের সম্পূর্ণ স্বরূপ। বরং যে সত্যের কারণে সেই বস্তু ও তার গুণ অস্তিত্বশীল এবং মানুষের কাছে অভিজ্ঞতাযোগ্য হয়, তার চূড়ান্ত ভিত্তি সেই পরম সত্তা। ভক্তির দৃষ্টিতে আবার এই উপলব্ধি আরও সহজ ও ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। ভক্ত জল পান করার সময় ঈশ্বরকে স্মরণ করতে পারেন, সূর্যের আলো দেখলে তাঁর জ্যোতি অনুভব করতে পারেন, ওঁ উচ্চারণের সময় তাঁর উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পারেন এবং নিজের শক্তিকে সৎ কাজে ব্যবহার করার সময় সেই শক্তিকে ঈশ্বরের দান হিসেবে গ্রহণ করতে পারেন।
এইভাবে শ্লোকটি মানুষের মনকে একটি বিশেষ ধরনের পবিত্র মনোযোগের শিক্ষা দেয়। আমরা প্রতিদিন জল পান করি, আলো দেখি, শব্দ শুনি এবং নিজের শক্তি দিয়ে কাজ করি। কিন্তু সাধারণত এসবের গভীর অর্থ নিয়ে ভাবি না। গীতা সেই অভ্যাসকে পরিবর্তন করতে বলে। জল পান করার সময় জলের রস অনুভব করা, আলো দেখার সময় তার দীপ্তি উপলব্ধি করা, শব্দ শোনার সময় তার অস্তিত্ব সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং নিজের শক্তি ব্যবহার করার সময় সেই শক্তির নৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ভাবা এক ধরনের আধ্যাত্মিক সাধনা হয়ে উঠতে পারে। তখন জীবনের সাধারণ কাজগুলোও আত্মস্মরণ ও ঈশ্বরস্মরণের পথ হয়ে ওঠে।
সাহিত্য ও ভারতীয় নন্দনতত্ত্বের দৃষ্টিতেও রস শব্দটির গুরুত্ব অসাধারণ। নাট্যশাস্ত্রীয় ঐতিহ্যে রস হলো শিল্পের মাধ্যমে উদ্ভূত গভীর নান্দনিক অনুভূতির আস্বাদ। করুণ, বীর, শান্ত, অদ্ভুত কিংবা শৃঙ্গার নানা রস মানুষের হৃদয়ে ভিন্ন ভিন্ন অনুভূতির সৃষ্টি করে। ফলে গীতার রস শব্দটি এমন এক সাংস্কৃতিক ধারণার সঙ্গে যুক্ত, যেখানে রস মানে জীবনের গভীরতম অনুভূতির আস্বাদ। এই অর্থে জলের রস যেমন শরীরকে তৃপ্ত করে, তেমনি সত্যের রস মন ও আত্মাকে তৃপ্ত করতে পারে। বস্তুজগতের স্বাদ থেকে আত্মিক আনন্দের স্বাদ পর্যন্ত রসের অর্থ একটি গভীর সেতুবন্ধন তৈরি করে।
শ্লোকটির সঙ্গে আগের শ্লোকগুলোর সম্পর্কও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সপ্তম অধ্যায়ের পূর্ববর্তী অংশে কৃষ্ণ প্রকৃতি, জীবশক্তি এবং সমগ্র জগতের মূল কারণ হিসেবে নিজের স্বরূপ ব্যাখ্যা করেছেন। এরপর এই শ্লোকে তিনি সেই পরম সত্যকে আমাদের পরিচিত জগতের বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে চিনতে শেখাচ্ছেন। অর্থাৎ প্রথমে বলা হচ্ছে সবকিছুর গভীরতম ভিত্তি তিনি, তারপর বলা হচ্ছে সেই তাঁকেই তুমি কোথায় অনুভব করতে পারো। এই দৃষ্টিতে গীতার শিক্ষা অত্যন্ত অন্তরঙ্গ। ঈশ্বরকে শুধু দূরের কোনো রহস্য হিসেবে না দেখে জলের তৃপ্তি, আলোর দীপ্তি, পবিত্র ধ্বনি, শব্দের সূক্ষ্মতা এবং মানুষের সাহসের মধ্যে তাঁর প্রকাশকে উপলব্ধি করা যায়।
বাস্তব জীবনে এই শিক্ষার প্রয়োগ খুব সহজ। প্রচণ্ড তৃষ্ণার পর এক গ্লাস জল পান করার সময় যদি মানুষ এক মুহূর্তের জন্য জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞ হয়, তবে সেই সাধারণ জলও তার কাছে গভীর অর্থ বহন করতে পারে। সকালের সূর্যের আলো যখন জানালা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে, তখন সেটি শুধু দিনের সূচনা নয়, অন্ধকারের ওপর আলোর বিজয়ের প্রতীকও হতে পারে। কোনো প্রিয় মানুষের সান্ত্বনাময় কথা কখনও ভেঙে পড়া মনকে শক্তি দেয়, তখন শব্দের শক্তি অনুভব করা যায়। আবার কঠিন পরিস্থিতিতে একজন মানুষ যখন ভয়কে অতিক্রম করে সত্য ও কর্তব্যের পথে দাঁড়ায়, তখন মানুষের অন্তর্নিহিত শক্তির মহিমা উপলব্ধি করা যায়। এভাবেই গীতার শ্লোকটি জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো বিমূর্ত দর্শন না হয়ে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ওঠে।
শেষ পর্যন্ত এই শ্লোক আমাদের একটি মৌলিক সত্যের দিকে নিয়ে যায়। ঈশ্বরকে খুঁজতে গেলে সবসময় দূরে তাকানোর প্রয়োজন নেই। যে জল আমাদের তৃষ্ণা মেটায়, যে আলো আমাদের পথ দেখায়, যে ধ্বনি আমাদের অন্তরে স্পন্দন তোলে, যে শব্দ আমাদের সঙ্গে অন্য মানুষের যোগাযোগ ঘটায় এবং যে সাহস আমাদের সত্য ও কর্তব্যের পথে দাঁড় করায়, সেসবের গভীরে এক বৃহত্তর ঐক্য অনুভব করা যায়। ভগবদ্গীতা সপ্তম অধ্যায়ের অষ্টম শ্লোক তাই কেবল ঈশ্বরের পরিচয় দেয় না, ঈশ্বরকে দেখার চোখও তৈরি করে। এই দৃষ্টিতে পৃথিবী আর নিছক বস্তুসমষ্টি থাকে না। প্রতিটি অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে উপলব্ধির একটি দরজা, প্রতিটি আলো হয়ে ওঠে জ্ঞানের স্মারক, প্রতিটি নির্মল রস হয়ে ওঠে জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতার আহ্বান এবং মানুষের প্রতিটি সৎ শক্তি হয়ে ওঠে পরম সত্যের এক জীবন্ত প্রকাশ। জীবনের সাধারণতার মধ্যেই অসাধারণকে দেখতে শেখাই এই শ্লোকের গভীরতম শিক্ষা।
বাজারে সেরা কোন প্রযুক্তিগত সমাধানের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা অনলাইন করুন।
30 দিনের মানি-ব্যাক গ্যারান্টি
আপনার কম অনলাইন বিক্রয় হার বিদায় বলুন!